SHARE

আমাদের দেশে আমড়া অত্যন্ত সহজলভ্য একটি ফল। সারা বছরই পাওয়া যায় এমন সহজলভ্য ফলগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো আমড়া। ফলটি খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি স্বাস্হ্যকরও বটে। তবে কাঁচা আমড়াই খেতে ভালো।

এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, ভিটামিন বি, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ক্যারোটিন, কার্বোহাইড্রেট ও সামান্য পরিমাণে প্রোটিন, পেকটিন জাতীয় ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। ছোট্ট এই ফলটির আছে যাদুকরি উপকার। স্ট্রোক ও ক্যান্সারের মতো মরনঘাতি রোগের ঝুঁকি কমাতে এর জুরি মেলা ভার।

জেনে নেওয়া যাক আমড়ার ৭টি উপকারী দিক—
০১. রুচি বাড়ায়

আমড়া খেলে অরুচি দূর হয়ে যায়। এটি ক্ষুধা বাড়েতে বেশ কার্যক্রর। এ কারণে শিশুদের বেশি করে আমড়ার ডাল খায়ানো উচিত। এতে শিশুর খাওয়ার রুচি বাড়বে।

০২. স্ট্রোক ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়

আমড়া রক্তের ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে স্ট্রোক ও হৃদরোগের হাত থেকে রক্ষা করে। এতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে যা দাঁত ও মাড়ির বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে।

০৩. ক্যান্সার প্রতিরোধ

ক্যান্সারের মতো মরনঘাতি রোগের চিকিৎসা সেভাবে এখনো চালু হয়নি। এই রোগটি থেকে প্রতিকার পাওয়া যায় না তবে প্রতিরোধ গড়ে তোলা যায়। এ কারণে বেশি বেশি আমড়া খাওয়া খেতে হবে।  এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

০৪. সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি

ত্বককে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে আমড়া। শুধু তাই নয়, ত্বক, নখ ও চুল সুন্দর রাখে। যারা রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন তাদের জন্যও আমড়া খুবই উপকারী।

০৫. ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস

ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস আমড়া। এতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম রয়েছে যা শিশুর দৈহিক গঠনে সাহায্য করে। কাজেই শিশুদের নিয়মিত ফলটি খাওয়ান।

০৬. স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে

আমড়াতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকায় তা স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। এমনকি সর্দি-কাশি-জ্বরের উপশমেও এটি উপকারী।

০৭. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর

আমড়াতে প্রচুর পরিমানে আঁশ আছে। যা বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে থাকে।