দীর্ঘদিন ধরেই মঙ্গলে প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে চলেছেন। দীর্ঘদিন ধরেই এই নিয়ে জল্পনা চলছে। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে চলেছেন। তবে এখনও পর্যন্ত মজবুত কোনও প্রমাণ মেলেনি। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের ওহায়েও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এমেরিটাস উইলিয়াম রোমোসার দাবি করলেন, মঙ্গলে প্রাণ র‌য়েছে।

রোমোসা বলেন, অনেকগুলি ক্ষেত্রে পতঙ্গ জাতীয় (জীবের) অবয়বেরও সন্ধান পেয়েছেন তিনি। তা খানিকটা মাছির মতো। সরীসৃপ জাতীয় (জীবের) অবয়বেরও খোঁজ পেয়েছেন ওই গবেষক। শুধু জীবিত নয়, জীবাশ্ম আকারেও মিলেছে সেই অবয়বের খোঁজ। তিনি বলেন, মঙ্গলে প্রাণ ছিল ও এখনও আছে।

তিনি আরও বলেন, মঙ্গলে যে প্রাণীগুলো রয়েছে তা দেখতে অনেকটা পতঙ্গের মতো- যা স্পষ্ট ছবিগুলোতে দেখা যাচ্ছে। এদের মৌমাছিদের মতো পাখা, পা, শুঁড় রয়েছে। কিউরিয়াস রোভারের পাঠানো ছবিতে শুধু পতঙ্গ নয়, সরীসৃপের থাকার প্রমাণও রয়েছে। রোভারে সেগুলোর হেঁটে যাওয়া ছবিও ধরা পড়েছে।

পুষ্টি/শক্তির উৎস ও প্রক্রিয়া, খাদ্যশৃঙ্খল এবং জলের অস্তিত্ব প্রমাণ করে এরকম জীব অবয়ব। মঙ্গলে প্রাণের প্রমাণ অতিরিক্ত কিছু জীববিজ্ঞান, সামাজিক ও রাজনৈতির প্রশ্নের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তির সন্ধান দিয়েছে বলে দাবি রোমোসারের।

এর আগে মঙ্গলের প্রাণের দাবি করেছিলেন আরও এক বিজ্ঞানী। ১৯৭৬ সালে মঙ্গলে একটি বাইকিং ল্যান্ডার পাঠিয়েছিল নাসা। সেইসময় ওই অভিযানের সঙ্গে যুক্ত বিজ্ঞানী গিলবার্ট ভি লেভিন সম্প্রতি আমেরিকার একটি জার্নালে একটি প্রবন্ধ লেখেন, লাল গ্রহে প্রাণের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল তখনই।