কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ফাঁসির মঞ্চটি সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রস্তুত রয়েছে জল্লাদের একটি দল। যেকোনো সময় কার্যকর হতে পারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদের ফাঁসি।

এর আগে বুধবার রাতেই রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো তার প্রাণভিক্ষার আবেদনটি নাকচ করা হয়। গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল বৃহস্পতি বা শুক্রবার কার্যকর হতে পারে ফাঁসির দণ্ডাদেশ। তবে শেষ মুহূর্তে আর কার্যকর করা হয়নি।

বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনি আবদুল মাজেদের বিরুদ্ধে মৃত্যুপরোয়ানা জারি করেন আদালত। সেই মৃত্যুপরোয়ানা কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে গেছে। কারাবিধি অনুযায়ী কারা কর্তৃপক্ষ আদালতের এই মৃত্যুপরোয়ানা কার্যকর করবে।