শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে ঘরবন্দী কর্মহীন মানুষের খাদ্যসহায়তার জন্য উপজেলা প্রশাসনের তহবিলে ১০ হাজার টাকা দান করা ভিক্ষুক নজিমুদ্দিনকে (৮০) সরকারের পক্ষ থেকে জমিসহ ঘর নির্মাণ আর জীবিকার জন্য জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মুদিদোকান করে দেওয়া হবে। সরকারের সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীর আওতায় আনা হবে তাঁকে।

ইউএনও রুবেল মাহমুদ বলেন, কর্মহীন মানুষদের খাদ্য সহায়তার জন্য খোলা করোনা তহবিলে ভিক্ষুক নজিমউদ্দীন ১০ হাজার টাকা দান করেন। পরে এ সংবাদটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়। এ সংবাদটি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। এর পরপরই মঙ্গলবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ফোন করে ওই ভিক্ষুকের জন্য বাড়ির ডিজাইন ও প্রাক্কলন তৈরি করে পাঠানোর জন্য বলা হয়। একইসাথে সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতাও দেবে সরকার।

তিনি আরও বলেন, নজিমউদ্দীনের বসতভিটার কাগজপত্র দেখা হয়েছে। কাগজপত্র যাচাই করে দেখা যায়, তার জমির কাগজ নিষ্কণ্টক নয়। তাই তাকে উপজেলা শহরের নিকটবর্তী সরকারি জমি থেকে ১২ শতাংশ জমি দেওয়া হবে। আর একটি বাড়ি নির্মাণ করে দেয়া হবে।