সোনা চোরাকারবারেও শাহেদ

0
23

আন্তর্জাতিক সোনা চোরাকারবারেও জড়িত ছিল প্রতারক মো. শাহেদ। তার ফোনের কললিস্টে চোরাকারবারিদের নাম পাওয়া গেছে। যেসব চোরাকারবারি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছিল অথবা একাধিক জনের ওপর হুলিয়া আছে তাদের সঙ্গে সখ্য ছিল তার। এই চক্রটির সঙ্গে তার সখ্য গড়ে উঠে ভারতের জয়পুরে।

২০১২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জয়পুরের একটি হোটেলে তাদের পরিচয় ঘটে। পরিচয় থেকে তাদের মধ্যে যাতায়াত সূত্রে মারিয়া তাকে সোনা চোরাকারবারে প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাব লুফে নেন প্রতারক জগতের জাদুকর শাহেদ। শাহেদের আমন্ত্রণে মারিয়া একাধিকবার বাংলাদেশে এসেছিল।

চক্রটি দুবাই থেকে পাশের দেশ হয়ে বাংলাদেশে সোনা নিয়ে আসতো। এরপর তারা সোনা সরবরাহ করতো দেশের কালো বাজারে। এছাড়াও শাহেদের সঙ্গে বাংলাদেশের ঢাকা বিমানবন্দরসহ নৌপথে যারা স্বর্ণ চোরাচালান করে থাকে তাদের সঙ্গে তার লিয়াজোঁর সন্ধান পেয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। র‌্যাবের রিমান্ডে শাহেদ তার দোষ স্বীকার করেছে। র‌্যাব জানিয়েছে, সাতক্ষীরার অস্ত্র মামলায় তাকে আলাদাভাবে রিমান্ড নেয়া হবে। এছাড়াও জানা গেছে, শাহেদের মাথায় মোট ২৯টি মামলার খড়গ ঝুলছে।

গত ৬ই জুলাই রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকার রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালায় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। গত ১৫ই জুলাই সাতক্ষীরার দেবহাটা এলাকায় অভিযান চালিয়ে রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক শাহেদকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।