নারায়ণগঞ্জের পশ্চিম তল্লা বায়তুস সালাত জামে মসজিদে এসি বিস্ফোরণের ঘটনায় মনির ফরাজী (৩০) নামে আরো একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৬ জনে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসাধীন আরও মুসল্লিদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। মনির ফরাজী বরিশালের বাকেরগঞ্জের বারঘড়িয়া গ্রামে সোবাহান ফরাজীর ছেলে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ৯টার দিকে ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা এলাকার বাইতুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে মসজিদের ভেতরে থাকা প্রায় ৫০ জনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হুড়াহুড়ি করে বের হওয়ার চেষ্টা করেন তারা। তাদের মধ্যে দগ্ধ অবস্থায় ৩৭ জনকে উদ্ধার করে শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় ওইদিন রাত সাড়ে ১২টার দিকে প্রথম মৃত্যু হয় জুয়েল নামের এক শিশুর। মৃতের তালিকায় রয়েছেন মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনও। রোববার রাতে মারা যান মসজিদের ইমাম।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল পর্যন্ত ১২ জনের মরদেহ নারায়ণগঞ্জে নিয়ে যাওয়া হয়। রাত ১০টা পর্যন্ত এক শিশুসহ ১০ জনের জানাজা শেষে দাফন করা হয়। চোখের জলে প্রিয়জনকে দাফন করেন স্বজনরা।

চিকিৎসাধীন বাকী ১১ জন হলেন- ইমরান (৩০), মামুন (২৩), আমজাদ (৩৭), আ. সাত্তার (৪০), হান্নান (৫০), আ. আজিজ (৪০), রিফাত (১৮), নজরুল ইসলাম (৫০), মো. কেনান (২৪), শেখ ফরিদ (২১) ও মো. ফিড (৫৫)। তাদের মধ্যে ফরিদ, কেনান, আজিজ, আমজাদ ও আবুল বাশারকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে।