বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন কিশোরী মামিজা রহমান রায়ার জীবনে সম্ভবত বৃহস্পতিবারের বিকেলটাই সব থেকে শ্রেষ্ঠ। কারণ এদিন তার সব থেকে বড় ইচ্ছেটি পূরণ হয়েছে। এক ভিডিও বার্তায় রায়া বলেছিল, তার ইচ্ছে প্রধানমন্ত্রী তাকে ভিডিও কল করবেন। আর এ জন্য প্রতিদিন অপেক্ষায়ও থাকে সে। কিন্তু ভিডিও প্রকাশের এক দিনের মাথায় প্রধানমন্ত্রী নিজে ভিডিওকল করেছেন রায়াকে। তার সঙ্গে গল্প করেছেন। শুনেছেন রায়ার কবিতা আবৃত্তি। বেশ কিছু সময় ধরে গল্পও শুনেছেন রায়ার থেকে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এখন রায়া ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভিডিও কলের সে ছবি ভাইরাল।

প্রধানমন্ত্রী ওই কিশোরীর সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ এ কথা বলেন। এ সময় কিশোরীটি লকডাউন শেষ হলে প্রধানমন্ত্রীর বাসায় আসার ইচ্ছাও ব্যক্ত করে। এদিকে কিশোরীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কলে কথা বলার বিষয়টি ইতোমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

এই ঘটনাটি নিয়ে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপিকা অপু উকিল তার ফেসবুক আইডি থেকে পোষ্ট দিয়ে এ তথ্যটি তুলে ধরেন ৷ এ পোস্টে অপু উকিল ওই কিশোরীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও কলের দুটি স্থির চিত্রও প্রকাশ করেছেন।

তার ফেসবুক পোস্টে অপু উকিল লিখেছেন, নিজের জীবনকে জনগণের জন্য উৎসর্গ করে দিয়ে যিনি প্রতিটি মুহূর্ত এদেশের মানুষের স্বপ্ন সত্যি করতে চান। ইচ্ছা পূরণ করতে চান। তিনি জনকের কন্যা, মানবতার বাতিঘর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।

একদিন আগে রায়ার স্কুল শিক্ষক হাসিনা হাফিজ রায়া প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে কথা বলতে চান এমন বার্তা সম্বলিত একটি ভিডিও পোস্ট করেন অটিজম ম্যানেজমেন্ট সেন্টার নামে একটি ফেসবুক গ্রুপে। সেখানে রায়া বলেন, সে প্রধানমন্ত্রীকে খুব ভালোবাসে ও তাঁর সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলতে চায়। প্রধানমন্ত্রীর হাসি তার সব থেকে প্রিয় এ কথাও জানায় রায়া। ভিডিওতে শিক্ষিকা হাসিনা হাফিজকে বলতে দেখা যায়, তিনি প্রতিদিন সকালে রায়াকে প্রধানমন্ত্রীর একটি করে ছবি ইনবক্স করেন। প্রধানমন্ত্রী তার দাপ্তরিক ব্যস্ততার কোনো এক ফাঁকে রায়ার ইচ্ছে পূরণ করবেন বলেও শিক্ষক হিসেবে আবেদন করেন তিনি।