Minni

বরগুনা সদরে রাস্তায় ফেলে নৃশংসভাবে কুপিয়ে রিফাত শরীফকে হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন মামলার প্রধান সাক্ষী ও তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা ওরফে মিন্নি। তিনি এ হত্যা পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন বলে দাবি করেছেন বরগুনার পুলিশ সুপার মারুফ হোসেন।

মিন্নি যে এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত আদালতে সেটি জোরালোভাবে দাবি করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবিরও।

তিনি জানান, ২৬ জুন রিফাতকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করা হয়। ঘটনার দুইদিন আগে ২৪ জুন হেলাল নামে এক ছেলের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় রিফাত শরীফ। হেলাল রিফাত শরীফের বন্ধু হলেও নয়ন বন্ডের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। আর সেই মোবাইল ফোন উদ্ধারে রিফাতের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নির দ্বারস্থ হন নয়ন বন্ড।

নৃশংসভাবে খুন হওয়া রিফাত শরীফের ছিল একটি ছিনতাইকারী চক্র। চক্রটির কাজ ছিল মেয়েদের মাধ্যমে যুবকদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে ডেকে এনে মোবাইল ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়া। আর এমন একটি ঘটনার মধ্য দিয়েই হত্যাকাণ্ডের সূত্র তৈরি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।