সরকারের নানা উদ্যোগ ও বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্টানগুলোর সংস্কারের ফলে বিশ্বব্যাংকের ডুয়িং বিজনেস রিপোর্টে বড় উন্নতির সম্ভাবনা জাগিয়েছে বাংলাদেশ। আগামী ২৪ অক্টোবর ‘ডুয়িং বিজনেস রিপোর্ট ২০২০’ প্রকাশ করতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক। তার আগেই জানিয়েছে দিয়েছে এবারের তালিকায় সবচেয়ে উন্নতিকারী ২০ দেশের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ।

১০টি ভিত্তির ওপর বিশ্বব্যাংক ডুয়িং বিজনেসের র‍্যাঙ্কিং বা ক্রমতালিকা তৈরি করে। এগুলো হলো ব্যবসা শুরুর অনুমোদন, ভবন নির্মাণের অনুমতি, বিদ্যুৎ–সংযোগ, ভূমি নিবন্ধন, ঋণপ্রাপ্তি, ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা, কর প্রদান, বৈদেশিক বাণিজ্য, চুক্তির বাস্তবায়ন ও দেউলিয়া ঘোষণার প্রক্রিয়া। এসব প্রক্রিয়ায় জটিলতা, ব্যয় বেশি হওয়া ও দীর্ঘসূত্রতা একটি দেশের পিছিয়ে থাকার কারণ।

বাংলাদেশের পাশাপাশি উন্নতিতে সেরা ২০টি দেশের তালিকায় রয়েছে চীন, ভারত, পাকিস্তান, আজারবাইজান, বাহরাইন, জিবুতি, জর্ডান, কেনিয়া, কসোভো, কুয়েত, কিরগিজ প্রজাতন্ত্র, মিয়ানমার, নাইজেরিয়া, কাতার, সৌদি আরব, তাজিকিস্তান, টোগো, উজবেকিস্তান ও জিম্বাবুয়ে।

সহজে ব্যবসা সূচকের মাধ্যমে কোনো দেশে ব্যবসা করা কতটা সহজ, তা প্রকাশ পায়। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা দেশ বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংকের এ সূচকটি বিবেচনায় নেয়। বাংলাদেশ এখন এ সূচকে ১৯০টি দেশের মধ্যে ১৭৬তম। এবার বিশ্বব্যাংকের নতুন প্রতিবেদন প্রকাশের পর এই অবস্থানের উন্নতি হবে বলে আশা করা যায়।

বিশ্বব্যাংক বলছে, বাংলাদেশ উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া সহজ করেছে। বিদ্যুৎ–সংযোগ দেওয়া ও ঋণপ্রাপ্তির দিক দিয়ে উন্নতি করেছে। নতুন কোম্পানি নিবন্ধনে বাংলাদেশ খরচ কমিয়েছে। ডিজিটাল সনদে ফি বা মাশুল আর নিচ্ছে না। ঋণ তথ্য ব্যুরো (সিআইবি) ঋণ তথ্যের আওতা বাড়িয়েছে। যেখানে এখন পাঁচ বছরের তথ্য পাওয়া যায়, সেটা ঋণের পরিমাণ যা-ই হোক না কেন।