বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সদ্য বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদকের কক্ষ সিলগালা করে দিয়েছে বুয়েট প্রশাসন। তাঁরা দুজনেই হলে অবৈধভাবে থাকতেন। এ ছাড়া ছাত্রলীগের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত একটি কক্ষও সিলগালা করা হয়েছে।

বুয়েটের ছাত্র কল্যাণ উপদেষ্টা (ডিএসডব্লিউ) মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে আহসান উল্লাহ হলে ছাত্রলীগের সভাপতি ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র জামি উস সানির ৩২১ নম্বর কক্ষ এবং শেরে বাংলা হলে সাধারণ সম্পাদক ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের মেহেদী হাসান রাসেলের ৩০১২ নম্বর কক্ষ সিলগালা করে বন্ধ করা হয়।

অবৈধভাবে যারা আবাসিক হলের সিট দখল করে আছেন, তাদের বের করা করা এবং রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনের কার্যালয় বন্ধ করাসহ কয়েকটি দাবি জানিয়ে আন্দোলন করে আসছিলেন শিক্ষার্থীরা। এ অবস্থায় বুয়েট প্রশাসন এই ব্যবস্থা নিয়েছে। একই সঙ্গে বুয়েটে সব রাজনৈতিক সংগঠন ও এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করাসহ বিভিন্ন দাবি পুরণ করে পাঁচটি নোটিশ জারি করেছে বুয়েট প্রশাসন।

এর আগে বুয়েটের হলগুলো থেকে সিট দখলদারিত্ব উচ্ছেদ ও সাংগঠনিক ছাত্র সংগঠনগুলোর অফিস সিলগালা করার নির্দেশনা জারি করে কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. সাইদুর রহমান এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেন।

এতে বলা হয়, অবৈধভাবে যারা হলের সিট দখল করে আছে, তাদেরকে সিট খালি করা, সাংগঠনিক ছাত্র সংগঠনগুলোর অফিস কক্ষ বন্ধ করে তা সিলগালা করার জন্য ছাত্রকল্যাণ পরিচালক ব্যবস্থা নেবেন। নির্দেশনায় আরও বলা হয়, কোনো শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে র‌্যাগিং বা ছাত্র নির্যাতনের অভিযোগ উঠলে ডিসিপ্লিনারি কমিটির মাধ্যমে তা দ্রুত বিচার করে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।