ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর তারেকুজ্জামান ওরফে রাজীবকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। গতকাল শনিবার রাতে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও চাঁদাবাজির অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

এ নিয়ে গত ১০ দিনের ব্যবধানে ঢাকা উত্তর সিটির মোহাম্মদপুর এলাকার দুই ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে গ্রেপ্তার করল র‍্যাব।

এর আগে রাত সাড়ে ১০টার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপরীতে ৮ নাম্বার সড়কের ৪০৪ নাম্বার ওই বাসা ঘেরাও করে র‌্যাব-১। জানা গেছে, ক্যাসিনো বিরোধী অভিযানের পর থেকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এক বন্ধুর বাড়িতে আত্মগোপনে ছিলেন রাজীব।

মোহাম্মদপুর-বসিলা-ঢাকা উদ্যানসহ আশেপাশের এলাকার অঘোষিত সম্রাট তারিকুজ্জামান রাজীব দিনমজুর থেকে চাঁদাবাজি ও দখলের টাকায় ধনকুবের হয়ে ওঠেন। ২০১৪ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৩৩ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হওয়ার পর থেকেই বদলে যেতে থাকেন রাজীব। এই কয়েকবছরেই যুবলীগের এই থানা পর্যায়ের এই নেতা মালিক হয়েছেন কয়েকশ কোটি টাকার।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে রাজধানীতে ‘শুদ্ধি’ অভিযান শুরু হয়। ২২টি ক্লাব,৫টি বার, আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ৮ নেতার বাসা ও প্রতিষ্ঠানে ৪৫টি অভিযান চালানো হয়। ঢাকায় ২২০ জন ও ঢাকার বাইরে ৫৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর মধ্যে রয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল হোসেন সম্রাট, যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া, যুবলীগ নেতা জি কে শামীম।