প্রতিবেশী ভারত বাংলাদেশে পেঁয়াজ রফতানি বন্ধ করার পর ইতিহাসের রেকর্ড ভঙ্গ করে পেঁয়াজের দাম। তীব্র গতিতে বেড়ে উঠা পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে মিশর, তুরস্ক ও চীন থেকে পেঁয়াজ নিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার এই পেঁয়াজ আসার কথা থাকলেও বুধবারও এই পেঁয়াজ আসেনি। তবে পেঁয়াজ এসেছে পাকিস্তান থেকে। বিমানে করে পাকিস্তান থেকে পেঁয়াজের প্রথম চালান শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছেছে। বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় পেঁয়াজের এই চালানটি আসে।বেসরকারি সিল্ক সংস্থার পণ্য পরিবহনকারী এই বিমানটিতে ৮১ টন ৫০০ কেজি পেঁয়াজ রয়েছে। ইতিমধ্যে খালাস প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ঢাকা কাস্টমসের সহকারী কমিশনার সাজ্জাদ হোসেন আজ প্রথম আলোকে জানান, সিল্কওয়ে উড়োজাহাজের ‘সেভেনএল ৩০৮৬’ ফ্লাইটে পেঁয়াজের প্রথম চালানটি এসেছে। এখন দ্রুত শুল্কায়নের প্রক্রিয়া চলছে।

শাহজালাল বিমানবন্দরে দায়িত্বরত কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক রতন কুমার সরকার প্রথম আলোকে বলেন, চালানটিকে যাতে সংগনিরোধ ছাড়পত্র দ্রুত দেওয়া হয়, সে জন্য তিন সদস্যের একটি দল কাজ শুরু করেছে। চালানটি পরিদর্শন করে সংগনিরোধ ছাড়পত্র দেওয়া হবে।

চালানটির আমদানিকারক ঢাকার শাদ এন্টারপ্রাইজ। এ পর্যন্ত আকাশপথে চারটি উড়োজাহাজে পেঁয়াজের চালান আনার সময়সূচি ঠিক হয়েছে। শাদ এন্টারপ্রাইজ ছাড়াও চট্টগ্রামের এস আলম গ্রুপের প্রথম চালান আসার কথা গতকাল বুধবার দিবাগত রাত একটায়।

সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের যাত্রীবাহী বিমানে প্রথম চালানটি এসে পৌঁছাবে। আজ বৃহস্পতিবার বিসমিল্লাহ এয়ারলাইন্সের পণ্যবাহী উড়োজাহাজে দ্বিতীয় চালান আসবে। শুক্রবার তৃতীয় চালান আসবে সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের যাত্রীবাহী বিমানে।

আকাশপথে পেঁয়াজের চালান আনার জন্য উদ্ভিদ সঙ্গনিরোধ কেন্দ্র থেকে এ পর্যন্ত ২ হাজার ৭ টনের অনুমতি নেওয়া হয়েছে। শাদ এন্টারপ্রাইজ ছাড়াও এস আলম গ্রুপ অনুমতি নিয়েছে ১ হাজার ৯২৫ টনের।