রাবি রেজিস্ট্রারের অপসারণ দাবিতে অফিসার সমিতির কর্মবিরতি

0
67

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক এম এ বারীর অপসারণের দাবিতে কর্মবিরতি ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টির অফিসার সমিতি। আগামী ২২ ও ২৩ জানুয়ারি সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত কলম বিরতি পালন করবে সমিতির সদস্যরা।

২১ জানুয়ারি, মঙ্গলবার সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়।

এর আগে সোমবার রেজিস্ট্রারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ এনে তার অপসারণের দাবিতে প্রশাসন ভবনে অবস্থান নেয় সমিতির সদস্যরা।

কর্মকর্তাদের পদোন্নতি, প্রাপ্যতার ফাইলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, উচ্চ আদালতের রায়কে উপেক্ষা করে প্রাপ্যতা থেকে বঞ্চিত করা, পে কমিশন (২০১৫) প্রাপ্যতা থেকে বঞ্চিত করা, প্রাপ্য বেতন ও বকেয়াসমূহ থেকে বঞ্চিত করাসহ কর্মকর্তাদের বিভিন্ন যোক্তিক দাবি ও প্রাপ্যতায় বাধা প্রদানের অভিযোগের বিষয়ে উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, প্রক্টর, ছাত্র উপদেষ্টা, অনুষদ অধিকর্তা, ইন্সটিটিউট পরিচালক, হল প্রাধ্যক্ষ, বিভাগীয় সভাপতিসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান করেছে সমিতি।

‘প্রশাসন ভবনে গিয়ে রেজিস্ট্রারকে তার পদ থেকে সরে যেতে বলাকে কেন্দ্র করে সমিতির নেতাদের সঙ্গে উপাচার্যের বাকবিতণ্ডা হয়েছে’ বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান বিশ^বিদ্যালয়ের এক কর্মকতা।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপাচার্যের বিরুদ্ধে হুমকি প্রদানের দাবি করেছেন সমিতির সভাপতি মোক্তাদির হোসেন। তিনি বলেন, ‘কাজ বন্ধ করে রেজিস্ট্রার দপ্তরে যাওয়ায় উপাচার্য তাদেরকে শোকজ করার হুমকি দিয়েছেন। ’

তিনি দাবি করেন, ‘উপাচার্য বলেছেন, তিনি আমাদের যা দিয়েছেন (পদোন্নতি), তা কেড়েও নিতে পারেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাতশ কর্মকর্তাকে সাসপেন্ড করবেন।’

এ বিষয়ে হুমকির বিষয়ে উপাচার্যের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তবে রেজিস্ট্রার এম এ বারী বলেন, ‘তারা যেসব বিষয়ে আমার কাছে আসে সেগুলো করতে সময় লাগে। কিন্তু তারা কোনো আইন-বিধান মানে না। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধান অনুসারেই যে কোনো ফাইলের ব্যাপারে উপাচার্যের কাছে সুপারিশ করে থাকি। নিয়মের বাইরে গিয়ে কিছু করার অধিকার আমার নেই।