পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন বলেছেন, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণসহ আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে অধিক পরিমাণে বৃক্ষ রোপণ করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ ‘মুজিববর্ষ’ উদযাপনের অংশ হিসেবে আগামী ৫ জুন সারাদেশে ৪শত ৯২ টি উপজেলায় একযোগে ১ কোটি গাছের চারা বিতরণ করা হবে।

আজ সোমবার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাবেক সচিব আবদুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী’র বিদায় ও নবনিযুক্ত সচিব জিয়াউল হাসান এনডিসি’র বরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন।

বন অধিদফতর সূত্র জানায়- ইউকেলিপটাস, আকাশমনি আর রেইনট্রি বাদ দেওয়া হয়েছে। দেশীয় প্রজাতির বিশেষ করে বনজ, ফলজ,ওষধি ও শোভা বর্ধনকারী গাছকে প্রধান্য দেওয়া হচ্ছে। গাছের মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশই হবে ফলজ প্রজাতির। ফলজ গাছের মধ্যে আম, জাম, কাঠাল, তেঁতুল, লিচু, পেয়ারা, জামরুল, করমচাসহ বড় গাছের চারাই বেশি প্রাধান্য পাবে।

অন্যদিকে শোভা বর্ধনকারী গাছের মধ্যে ফুলের গাছ থাকবে, তাতে রাখা হতে পারে গোলাপ, জবা, ঝুমকো লতা, অপরাজিতা, মাধবীলতা, বেলি, রঙ্গন ও কাঠগোলাপ। এর পাশাপাশি রাখা হয়েছে পাতাবাহার জাতীয় গাছও। এর মধ্যে থাকতে পারে বাগান বিলাসসহ বেশ কিছু গাছ। ওষধি গাছের মধ্যে শতমূলী, নিশিন্দা, নাগমনি, ফণিমনসা, চন্দন, অর্জুন, ঘৃতকুমারি, রক্তচন্দন, নাগেশ্বরসহ বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির গাছ থাকছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বন অধিদফতরের সহকারী বন সংরক্ষক অজিত কুমার রুদ্র জানান, ফলের চারা হবে ৫০ থেকে ৬০ ভাগের মতো। এসব চারা বসতবাড়ির আশেপাশে রোপণ করা হবে। বাকিগুলো হবে বনজ, ওষধি ও শোভাবর্ধনকারী গাছ। কোনও বিদেশি গাছ রোপণ করা হবে না।