পাকিস্তানি ত্বকের রঙ ফর্সাকারী ক্রিম বাংলাদেশে নিষিদ্ধ

0
267
pakistani-face-cream

পাকিস্তানে উৎপাদিত ত্বকের রঙ ফর্সাকারী আট ধরনের ক্রিম বাংলাদেশে ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) ।

এসব ক্রিম দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে চর্মরোগসহ বিভিন্ন জটিলতা হতে পারে বলে জানিয়েছে বিএসটিআই । তারা বলছে, এসব ক্রিম বিক্রি ও বিতরণ বন্ধ রাখতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিএসটিআই তাদের নিজস্ব ল্যাবরেটরিতে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের রং ফর্সাকারী ১৩ ধরনের ক্রিমের মধ্যে ছয় ধরনের ক্রিমে বিপজ্জনক মাত্রায় পারদ (মার্কারি) এবং দুই ব্র্যান্ডের ক্রিমে পারদ (মার্কারি) ও হাইড্রোকুইনোন পেয়েছে, যা মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর । ব্র্যান্ডগুলো হলো- পাকিস্তানে তৈরি গৌরি, চাঁদনী, নিউ ফেস, ডিউ, গোল্ডেন পার্ল, ফাইজা, নুর ও হোয়াইট পার্ল পল্গাস।

বিএসটিআইর প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে, পাকিস্তানের গৌরি কসমেটিকসের গৌরি ব্র্যান্ডের স্কিন ক্রিমে পারদের মাত্রা ৭৫৫.৮৫ পিপিএম; এস জে এন্টারপ্রাইজের চাঁদানী ব্র্যান্ডের ক্রিমে ৬২৯.৯৬ পিপিএম; কিউ সি ইন্টারন্যাশনালের নিউ ফেস ক্রিমে ৫৯০.৩৮ পিপিএম; ক্রিয়েটিভ কসমেটিকসের ডিউ ক্রিমে ২৮৫.৮৮ পিপিএম; গোল্ডেন পার্ল কসমেটিক্সের গোল্ডেন পার্ল ক্রিমে ৬৫৪.১৩ পিপিএম; পুনিয়া ব্রাদার্সের ফাইজা ক্রিমে ৫৯০.৪৫ পিপিএম; নূর গোল্ড কসমেটিকসের নূর ক্রিমে পারদ ১৯৩.৬৮ পিপিএম ও হাইড্রোকুইনোনের মাত্রা ১৯৮০.৬৮ পিপিএম; হোয়াইট পার্ল কসমেটিকসের হোয়াইট পার্ল প্লাস ব্র্যান্ডের স্কিন ক্রিমে পারদ ৯৪৮.৯৩ পিপিএম ও হাইড্রোকুইনোন ৪৩৪.৭৩ পিপিএম মাত্রায় পাওয়া গেছে।

তবে স্কিন ক্রিমের জন্য বাংলাদেশ মান (বিডিএস ১৩৮২:২০১৯) – এ মার্কারির সর্বোচ্চ মাত্রা ১ পিপিএম এবং হাইড্রোকুইনোনের গ্রহণযোগ্য সর্বোচ্চ মাত্রা ৫ পিপিএম।