মোদীর কাছে সিএএ ও এনআরসি প্রত্যাহারের দাবি মমতার

0
41

শহরজুড়ে প্রবল বিক্ষোভের মধ্যের শনিবার দুদিনের সফরে শহরের পৌঁছালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন রাজভবনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে ফের একবার রাজ্যের বকেয়া পাওনা ২৮ হাজার কোটি টাকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী। এবং বুলবুলের জেরে হওয়া ক্ষতি সাত হাজার কোটি টাকা সব নিয়ে মোট পাওনা ৩৮ হাজার কোটি টাকা দ্রুত রাজ্যকে দেওযার আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী।

পাশাপাশি এদিন এনআরসি, সিএএ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন বলে এদিন বৈঠক থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের জানান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের নাগরিক সকলে। তাই নাগরিকত্ব এই ভাবে কাড়া যায় না। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, তিনি আবেদন করেছেন অবিলম্বে কেন্দ্রীয় সরকার যেন সিএএ ও এনআরসি প্রত্যাহার করে তাঁর দাবিও এদিন জানিয়েছেন। যার পরই এদিন প্রধানমন্ত্রী তাঁকে জানান দিল্লিতে আসুন এই বিষয়ে আলোচনা হবে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী রাজ্যে এসেছেন তাই তাঁর সঙ্গে সৌজন্যের কারণে সাক্ষাত্‍ করেন। এরপরই সেখান থেকে সরাসরি ধরনা মঞ্চে চলে যান মুখ্যমন্ত্রী।

এদিন দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ কলকাতা বিমান বন্দরে বিশেষ বিমানে করে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। বিমান বন্দরে তাঁকে গোলাপ দিয়ে স্বাগত জানান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়, মেয়র ফিরহাদ হাকিম, বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, বিজেপি নেতা মুকুল রায়, অর্জুন সিং। এরপরই বিশেষ চপারে করে রেসকোর্সে উড়ে যান প্রধানমন্ত্রী। রেসকোর্সে অবতরণ করে সেখান থেকেই যান রাজভবনে। রাজভবনে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এই পরিস্থিতি শহর জুড়ে পকেটে পকেটে চলছে হাতে কালো পতাকা, বেলুন নিয়ে মোদী বিরোধী প্রতিবাদ। প্রতিবাদীদের কন্ঠে একটাই স্লোগান গো ব্যাক মোদী। বিমান বন্দরে প্রধানমন্ত্রীর বিমান অবতরণের পর বাইরে স্লোগান ও বিক্ষোভে ফেটে পরেন প্রতিবাদীরা। বিমান বন্দরের দিকে প্রতিবাদীরা যাওয়ার চেষ্টা করলে তাদের বাধাদেয় নিরাপত্তারক্ষীরা। যার জেরে শুরু হয় প্রবল ধস্তাধস্তি উত্তেজনা। এরই জেরে বিমান বন্দর সংলগ্ন ভিআইপি রোডে বসে অবরোধ শুরু করেন বাম প্রতিবাদীরা।