ভারত বধের আগেই সুস্থ হয়ে উঠবেন মাহমুদুল্লাহ!

0
243

সবাই যখন ছুটির আনন্দে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তখন হোটেলবন্দি হয়ে আছেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। প্রয়োজনে খুড়িয়ে খুড়িয়ে ব্যাটিং চালিয়ে যাওয়া এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান ভারত বধের আগে সুস্থ হবেন তো? নাকি..?

সাউদাম্পটনে আফগানদের বিপক্ষে ম্যাচে ইনজুরিতে পড়েন। ফিজিও থিলান চন্দ্রমোহনের পরিচর্যার পর তিনি ব্যাটিং চালিয়ে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধে আর ফিল্ডিংয়ে নামনেনি।

পরে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, হাসপাতালে স্ক্যান করে দেখা যায় মাহমুদউল্লাহর পেশি সামান্য ছিঁড়ে গেছে, চিকিৎসকদের ভাষায় যাকে বলে ‘গ্রেড ওয়ান টেয়র’।

এরপর ক্র্যাচে ভর করে চলতে দেখা গেছে তাকে। এমন একটি ছবিও দেখা গেছে ফেসবুকে। কিন্তু দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তার সম্পর্কে কিছুই জানানো হয়নি। আগে থেকেই কাঁধের চোটে থাকা এই ডানহাতি ব্যাটসম্যানকে ভারতের বিপক্ষে ‘মাস্ট উইন’ ম্যাচে পাওয়া যাবে কি-না তা নিয়ে তৈরি হয়েছে দোলাচল।

এরপর অনেকেই ধরে নিয়েছেন শেষ হয়ে যাচ্ছে তার ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ। শেষ দুই ম্যাচে মাঠে নামতে পারবেন কিনা তা নিয়ে রয়েছে সন্দেহ। বার্মিংহামে বাংলাদেশের সমর্থকদের মুখে মুখে প্রশ্ন খেলতে পারবেন তো রিয়াদ!

তবে ভারতের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগেই মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ সেরে উঠবেন ইনজুরি থেকে- ফিজিও যে রিপোর্ট দিয়েছেন তাতে আশাবাদী টিম ম্যানেজম্যান্ট। অবশ্য এই মুহূর্তে তার সম্ভবনা ফিফটি-ফিফটিই বলে জানিয়েছেন টিম ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন।

আগের দিন খুড়িয়ে খুড়িয়ে ব্যাটিংটাই জাগিয়েছিল শঙ্কা। রাতভর সবাই অপেক্ষায় ছিল মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের চোটের আপডেট পেতে। তবে, ফিজিও আশ্বস্ত করেছেন স্ক্যান রিপোর্টে তেমন ঘাবড়াবার মতো কিছু নেই। কাফ ইনজুরি গ্রেড ওয়ান।

অধিনায়ক মাশরাফি টিম হোটেলে রিয়াদকে নিয়ে তেমন কোনো মন্তব্য করেননি। শুধু বলেছেন, ‘দেখি আরও সময় আছে। ফিফটি ফিফটি এখনো।’

রিয়াদের খেলার বিষয়ে টিম ম্যানেজমেন্ট আছেন দ্বিধাদ্বন্দ্বে। তাহলে প্রশ্ন উঠতে পারে তবে কি শেষ রিয়াদের ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ! যদি সেটি হয় তাহলে তার বিকল্প হবে কে! দেশ থেকে নতুন কাউকে আনা হবে?

না, আপাতত হয়তো দেশ থেকে নতুন কাউকে আর ডাকা হবে না। রিয়াদ খেলতে না পারলে মোহাম্মদ মিঠুন আছেন, সাব্বির রহমান আছেন। আর যদি সেমিফাইনালে ওঠে বাংলাদেশ সেই সময়ের মধ্যে রিয়াদ যদি সুস্থ হয়ে ওঠেন তাহলে তার বিকল্প দেশ থেকে আনার কোনো প্রয়োজনও হবে না। এখন দেখার বিষয় কতদিনের মধ্যে তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন। নাকি তাকে ডুবতে হয় ছিটকে পড়ার হতাশায়!

না এই হতাশায় আশার আলো জাগিয়ে টিম ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন জানিয়েছেন, এ ধরনের ইনজুরি গুরুতর না হলে সেরে উঠতে সময় লাগে সপ্তাহ খানেক। আশার কথা ভারতের বিপক্ষে ম্যাচের আগেও সময় আছে এখনো ঠিক সাত দিনই।