এ বছর ডিপিএলও হচ্ছে না

0
16

করোনার কারণে চলতি মৌসুমের ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক টি-২০ লিগ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) হচ্ছে না। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) জানিয়েছে, আসরটি আগামী বছর বসবে। তবে ঘরোয়া ওয়ানডে ক্রিকেট ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) শুরুর ব্যাপারে আশাবাদী ছিল বোর্ড।

কিন্তু সোমবার বিসিবির পরিচালক এবং আবাহনীর কোচ খালেদ মাহমুদ সুজন সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, এ বছর ডিপিএলও হচ্ছে না। করোনার কারণে গত মার্চে শুরুর পরপরই স্থগিত হয়ে যায় ডিপিএল। ২০১৯-২০ মৌসুমের ডিপিএল এ বছর না হলেও আগামী বছরের শুরুতে অর্থাৎ জানুয়ারিতে আয়োজনের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন সুজন।

ডিপিএল শুরু করতে না পারার কারণ হিসেবে খালেদ মাহমুদ জানিয়েছেন, নভেম্বরে শুরু করে কর্পোরেট টি-২০ লিগ নামে প্রস্তাবিত টুর্নামেন্টটি ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করতে চায় বোর্ড। এরপর নতুন বছরের শুরুতে তারা আয়োজন করতে চায় ডিপিএল, ‘এ বছর ডিপিএল আয়োজন করা সম্ভব নয়। একটি টি-২০ টুর্নামেন্টের প্রস্তাব করা হয়েছে। সেটা শুরু, তার আগে ক্রিকেটারদের অনুশীলনে ব্যবস্থা করতে হবে। করোনা প্রটোকল মেনে ক্রিকেটারদের ঢাকায় আনতে হবে। ডিপিএল তাই জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে শুরু হতে পারে।’

কিন্তু জানুয়ারিতে আবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাংলাদেশ সফর আছে। বিসিবি ওই সিরিজটি আয়োজনের ব্যাপারে আশাবাদী। সুজন এ নিয়ে জানিয়েছেন, ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ হলেও ডিপিএল আয়োজন করা হবে। যারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলবেন তারা ডিপিএলে অংশ নেবেন না। যদি ক্লাবগুলো বলে, জাতীয় দলের ক্রিকেটার ছাড়া তারা ডিপিএল খেলবে না, তাহলে ওই সিরিজের পরে ঘরোয়া ক্রিকেটের ওই আসরটা বসতে পারে।

অবশ্য ক্লাবগুলো জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের অপেক্ষায় থাকলে ডিপিএল আরও পিছিয়ে যেতে পারে। কারণ জানুয়ারিতে শুরু হয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ শেষ হতেই আবার নিউজিল্যান্ড সফরে যাবে বাংলাদেশ। এছাড়া আগামী বছর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের দুয়ার খুললে এবং স্থগিত সিরিজগুলো একে একে শুরু হলে দম ফেলার ফুসরত থাকবে না তামিম-সাকিব-মুশফিকদের।

ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ শুরুর ক্ষেত্রে ক্রিকেটারদের জন্য বায়ো বাবল তৈরি করা খুবই চ্যালেঞ্জিং বলে উল্লেখ করে সুজন বলেছেন, ‘ জৈব্য সুরক্ষা বলয় তৈরি করা জটিল এবং কঠিন কাজ। আমরা শুরুতে তিনদলকে বায়ো বাবলে রাখার অভিজ্ঞতা নিচ্ছি। এরপর টি-২০ লিগে পাঁচ-ছয় দলকে নিরাপদ রাখার চ্যালেঞ্জ নেবো। তারপরও ডিপিএলের ১২ দলকে সুরক্ষা দেওয়া কঠিন। প্রতি দলে কোচিং-স্টাফ দিয়ে অন্তত ২০জন করে থাকবেন। বড় প্রশ্ন হলো এই ২৭০ জনকে একসঙ্গে কোথায় সুরক্ষা নিয়ে রাখা সম্ভব। তারপরও ক্রিকেটারদের আর্থিক বিষয়টি মাথায় রেখে ঘরোয়া লিগটি আয়োজনের চিন্তা করছে বিসিবি।’