Image source: ICC/twitter

লর্ডসে জয় উৎসব করা হলো না কোনও দলের। একদিন বৃষ্টিতে ভেস্তে যাওয়ায় প্রত্যাশিত ড্র হলো ক্রিকেটের পুণ্যভূমিতে। ১৯৯৭ সালের পর প্রথমবার লন্ডনের এই ভেন্যুতে ড্র হলো টেস্ট। অ্যাশেজের দ্বিতীয় ম্যাচ ড্র হওয়ায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচ শেষে ১-০ তে এগিয়ে থাকলো অস্ট্রেলিয়া।

প্রথম দিন বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ায় লর্ডস টেস্টে লড়াইটা ছিলো চার দিনের। তারপরও অ্যাশেজের দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে দেখার মতো। অজিদের ২৬৭ রানের লক্ষ্য দিয়ে দারুণ লড়াই করেছে ইংলিশরা। শেষ পর্যন্ত মিডল অর্ডারের শক্ত প্রতিরোধে ম্যাচ বাঁচিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

রোববার ম্যাচের শেষ দিনে ৫ উইকেটে ২৫৮ রানে দ্বিতীয় ইনিংস ঘোষণা করে ইংল্যান্ড। আগের দিন দলের বিপর্যয়ে ব্যাট করতে নেমে স্টোকস শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ১১৫ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলে।

জেতার জন্য অস্ট্রেলিয়া পায় ৪৭ ওভার। কিন্তু ১৯ রানের মধ্যে ডেভিড ওয়ার্নার (৫) ও উসমান খাজা (২) জোফরা আর্চারের শিকার হলে ম্যাচ বাঁচানোতেই মনোযোগ দেয় সফরকারীরা।

দলীয় ৪৭ রানে আরেক ওপেনার ক্যামেরন ব্যানক্রফট (১৬) বিদায় নিলে বিপদে পড়ে অজিরা। ঘাড়ে আঘাত নিয়ে এই ম্যাচ থেকে সরে দাঁড়ানো স্টিভেন স্মিথের বদলি নামা মারনাস ল্যাবুশ্যাগনের ব্যাটে প্রতিরোধ গড়ে তারা। ট্রাভিস হেডের সঙ্গে ৮৫ রানের জুটিতে এই বিপদ সামলায় অস্ট্রেলিয়া।

ল্যাবুশ্যাগনে ১০০ বলে ৫৯ রান করে জ্যাক লিচের শিকার হন। ১৭ রানের ব্যবধানে অজিরা ৩ উইকেট হারালেও হেডের সতর্ক ব্যাটিংয়ে ড্র করে অস্ট্রেলিয়া। ৯০ বল খেলে ৪২ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

ইংল্যান্ড ১ম ইনিংস: ২৫৮

অস্ট্রেলিয়া ১ম ইনিংস: ২৫০

ইংল্যান্ড ২য় ইনিংস: (আগের দিন ৯৬/৪) ৭১ ওভারে ২৫৮/৫ (ডি.)(স্টোকস ১১৫*, বাটলার ৩১, বেয়ারস্টো ৩০*; কামিন্স ১৭-৬-৩৫-৩, হেইজেলউড ১৩-১-৪৩-০, সিডল ১৫-৪-৫৪-২, লায়ন ২৬-৩-১০২-০)।

অস্ট্রেলিয়া ২য় ইনিংস: (লক্ষ্য ২৬৭) ৪৭.৩ ওভারে ১৫৪/৬ (ওয়ার্নার ৫, ব্যানক্রফট ১৬, খাওয়াজা ২, লাবুশেন ৫৯, হেড ৪২*, ওয়েড ১, পেইন ৪, কামিন্স ১*; ব্রড ৭-০-২৯-০, আর্চার ১৫-২-৩২-৩, ওকস ৩-০-১১-০, লিচ ১৬.৩-৫-৩৭-৩, স্টোকস ৩-১-১৬-০, রুট ১-০-৭-০, ডেনলি ২-২-০-০)।

ফল: ম্যাচ ড্র

সিরিজ: ৫ ম্যাচ সিরিজের দুটি শেষে অস্ট্রেলিয়া ১-০ তে এগিয়ে

ম্যান অব দা ম্যাচ: বেন স্টোকস