Image source: ICC/twitter

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পা রেখেই আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন অজন্তা মেন্ডিস। এক ওভারে ছয় রকমের বল করে প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের বুকে কাঁপন ধরান শ্রীলঙ্কার এই স্পিনার। কিন্তু সময় যত গেছে, হারাতে থাকেন ক্ষিপ্রতা।


জাতীয় দলে চার বছর উপেক্ষিত থাকার হতাশা থেকে ক্রিকেটকে বিদায় বলে দিলেন এই রহস্যময় স্পিনার।২০১৫ সালে ক্রাইস্টচার্চে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডে হয়ে থাকলো দেশের হয়ে তার শেষ ম্যাচ।

‘ক্যারম বল’ এর স্রষ্টা মেন্ডিস। ক্যারিয়ারে ক্যারম বোর্ডের স্ট্রাইকারে টোকা দেওয়ার মতো করে লেগব্রেক ডেলিভারি দিয়ে দারুণ ভুগিয়েছেন ব্যাটসম্যানদের। ১৯ টেস্টে ৭০ উইকেট, ৮৭ ওয়ানডেতে ১৫২ আর ৩৯ টি-টোয়েন্টিতে ৬৬ উইকেট নিয়ে ক্যারিয়ার শেষ করলেন তিনি।

২০০৮ সালে অভিষেক টেস্ট সিরিজে সাফল্যের দেখা পান মেন্ডিস। ভারতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজে নেন ২৬ উইকেট। বৈচিত্র্যময় বোলিং দিয়ে রাহুল দ্রাবিড়, ভিভিএস লক্ষ্মণ, শচীন টেন্ডুলকার ও সৌরভ গাঙ্গুলীকে ধাঁধায় ফেলে দেন তিনি।

২০০৯ ও ২০১২ সালের বিশ্ব টি-টোয়েন্টিতে শ্রীলঙ্কার শীর্ষ স্পিনার ছিলেন মেন্ডিস। ২০১১ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শ্রীলঙ্কাকে ৮ রানে জেতাতে ১৬ রান খরচায় ৬ উইকেট নেন তিনি।

পরের বছর টি-টোয়েন্টির বিশ্বমঞ্চে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ছিলেন আরও দুর্দান্ত। ৮ রানে ৬ উইকেট শিকার করে দলকে এনে দেন ৮২ রানের জয়।