দায়িত্ব গ্রহণ করেই পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের ফিটনেস ঘাটতি দূর করতে আটঘাট বেঁধে নেমেছেন নতুন কোচ ও নির্বাচক মিসবাহ উল হক। ক্রিকেটারদের খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। সেজন্য আরোপ করছেন বেশকিছু বিধি-নিষেধ। ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে জাতীয় দলের ক্যাম্প- সবখানেই বিরিয়ানি, তেল-চর্বিযুক্ত এবং মিষ্টিজাতীয় খাবার নিষিদ্ধ করেছেন দেশটির সাবেক তারকা মিসবাহ।

বিরিয়ানির প্রতি বিশেষ টান রয়েছে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের। গত বিশ্বকাপে জাতীয় দলের ড্রেসিং রুমে খেলোয়াড়দের বিরিয়ানিপ্রীতির সমালোচনা করেছিলেন পাকিস্তানের কিংবদন্তি পেসার ওয়াসিম আকরাম। মিসবাহ দায়িত্ব পাওয়ার পর সবার আগে মনোযোগ দিয়েছেন খেলোয়াড়দের ফিটনেসের ওপর। আর তাই তেলযুক্ত খাবার যেমন—বিরিয়ানি, মাংস এমনকি মিষ্টি জাতীয় খাবার পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছেন মিসবাহ।

খেলোয়াড়দের ফিটনেস বিষয়ে কোনোরকম ছাড় দিতে রাজি নন মিসবাহ। নিজে জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন ৪৩ বছর বয়স পর্যন্ত। এমনকি চলতি বছর প্রায় ৪৫ বছর বয়সেও ঘরোয়া লিগগুলোতে দাপট দেখিয়েছেন তিনি। ফলে ফিটনেসের গুরুত্ব এবং কীভাবে তা ধরে রাখতে হয়, সেটা খুব ভালোভাবে জানা রয়েছে মিসবাহর।

তাই শিষ্যদের খাদ্যাভ্যাসের দৈনন্দিন তালিকায় ব্যাপক পরিবর্তন এনেছেন তিনি। জাতীয় দলের বাইরে থাকা অবস্থায়ও ক্রিকেটাররা যেন বিরিয়ানিতে মজে যেতে না পারেন, সেজন্য ঘরোয়া পর্যায়েও নিজের আদেশ কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মিসবাহ।

নতুন খাদ্য তালিকা অনুসারে, পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেট কাঠামো থেকে জাতীয় দলের ক্যাম্পে কাবাব, পাস্তা এবং প্রচুর ফলমূল সরবরাহ করা হবে।