শুভ জন্মদিন এবি ডি ভিলিয়ার্স

0
131

ওয়ানডেতে দ্রুততম ফিফটি (১৬ বল)‚ দ্রুততম সেঞ্চুরি (৩১ বল)‚ দ্রুততম দেড় শতাধিক (৬৪ বল)! কী নেই তার ঝুলিতে? রেকর্ড গড়তেই যেন এই পৃথিবীতে তার জন্ম! বলছি প্রোটিয়া ক্রিকেটার এবি ডি ভিলিয়ার্সের কথা। শুভ জন্মদিন এবি ডি ভিলিয়ার্স । বাউন্সার থেকে ইয়র্কার‚ তার ব্যাটে সব বলেরই গন্তব্য যেন ওই একটাই, বাউন্ডারি। তাই কেউ ক্রিকেট বুঝুক আর নাই বুঝুক যে কোনো দর্শক তার খেলা দেখে মুগ্ধ হতে এক প্রকার বাধ্য। সামনে-পিছনে‚ ডানে-বামে সবদিকই যেন তার কমফোর্ট জোন। তাই তো ক্রিকেট বিশ্বে তিনি মিস্টার থ্রি সিক্সটি ডিগ্রি বলেই পরিচিত। আজ তার জন্মদিন।

ডি ভিলিয়ার্সের শৈশব : ১৯৮৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ আফ্রিকার ওয়ার্মবাদে জন্মগ্রহণ করেন এবি। তার হাইস্কুল জীবন কাটে প্রিটোরিয়ায়। আর সেখানে এবি’র সাথে পরিচয় হয় টিমমেট ফাফ ডু প্লেসির। বাবা ডাক্তার ছিলেন তবে যুবক বয়সে তিনি রাগবি ইউনিয়নে ছিলেন। তাই সন্তানকেও খেলাধুলা করতে বেশ উৎসাহ দিতেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই ক্রিকেটের প্রতি ঝোঁক ছিল এবি’র। তবে পেশায় ক্রিকেটার হলেও শৈশব থেকেই গলফ‚ রাগবি আর টেনিস খেলাতেও পারদর্শী ছিলেন ডি ভিলিয়ার্স।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ডি ভিলিয়ার্স : দক্ষিণ আফ্রিকার ঘরোয়া ক্রিকেটে টাইটান্সের হয়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করায় ২০০৪ সালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে টেস্টে অভিষেক হয় এই ক্রিকেটারের। টেস্টে অভিষেকের পরের বছরই ২০০৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই ওয়ানডেতেও অভিষেক হয় তার। টেস্ট এবং ওয়ানডেতে ইংলিশদের বিপক্ষে অভিষেক হলেও ২০০৬ সালে টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে নিচের দিকে ব্যাটিং করলেও ধীরে ধীরে ভরসাযোগ্য মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান হয়ে ওঠেন তিনি। শুধু তাই নয় বেশ কয়েকবার তাকে ওপেনার হিসেবেও দেখা গিয়েছে।