Photo Credit: ICC/ twitter

শ্রীলঙ্কা তাদের ওয়ানডে ইতিহাসে দ্বিতীয়বার ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইটওয়াশ করলো। অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুজের জাদুতে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ তারা সফরকারীদের হারিয়েছে ৬ রানে। তাতে ২০১৫ সালের পর আবারও ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে সিরিজের সবগুলো ম্যাচ জিতলো লঙ্কানরা।

টপ অর্ডারের ব্যাটিং নৈপুণ্যে টসজয়ী শ্রীলঙ্কা ৩০৭ রানের বড় স্কোর গড়ে অলআউট হয় শেষ বলে। পাল্টা জবাব দেয় ক্যারিবিয়ান টপ অর্ডার। তিন হাফসেঞ্চুরিতে হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর সম্ভাবনা জাগায় তারা। কিন্তু ডানহাতি পেসার ম্যাথুজ ডেথ ওভারে বল হাতে নিয়ে জাদু দেখান। ৯ উইকেটে ৩০১ রানে থামে সফরকারীরা।

রান তাড়ায় ১১১ রানের উদ্বোধনী জুটিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ভালো শুরু এনে দেন শেই হোপ ও সুনিল আমব্রিস। ৬০ বলে ৬০ রান করা আমব্রিসকে ফিরিয়ে শুরুর জুটি ভাঙেন হাসারাঙ্গা। ব্যাটে-বলে নিজেকে মেলে ধরা এই অলরাউন্ডার জেতেন সিরিজ সেরার পুরস্কার।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

শ্রীলঙ্কা: ৫০ ওভারে ৩০৭ (ফার্নান্দো ২৯, করুনারত্নে ৪৪, কুসল পেরেরা ৪৪, মেন্ডিস ৫৫, ম্যাথিউস ১২, ধনাঞ্জয়া ৫১, থিসারা ৩৮, হাসারাঙ্গা ১৬, উদানা ২, সান্দাক্যান ০, প্রদিপ ০*; কটরেল ১০-১-৫৮-১, হোল্ডার ১০-০-৬৮-২, জোসেফ ১০-০-৬৫-৪, চেইস ১০-০-৫১-১, ওয়ালশ ৩-০-২০-০, পোলার্ড ৭-০-৩৬-১)

ওয়েস্ট ইন্ডিজ: ৫০ ওভারে ৩০১/৯  (হোপ ৭২, আমব্রিস ৬০, পুরান ৫০, পোলার্ড ৪৯, ব্রাভো ৮, হোল্ডার ৮, অ্যালেন ৩৭, ওয়ালশ ২, চেইস ০, জোসেফ ০*, কটরেল ১*; প্রদিপ ৪.৩-১-২২-০, থিসারা ৭.৩-০-৫৪-০, উদানা ১০-০-৭৬-১, ম্যাথিউস ১০-০-৫৯-৪, সান্দাক্যান ৩-০-৩১-০, হাসারাঙ্গা ১০-০-৪১-১, ধনাঞ্জয়া ৫-০-১৩-০)

ফল: শ্রীলঙ্কা ৬ রানে জয়ী

সিরিজ: ৩ ম্যাচের সিরিজে শ্রীলঙ্কা ৩-০ ব্যবধানে জয়ী

ম্যান অব দা ম্যাচ: অ্যাঞ্জলো ম্যাথিউস

ম্যান অব দা সিরিজ: ভানিদু হাসারাঙ্গা