Photo Credit: FIFA.com/ twitter

ইউরোপের পর বিশ্ব জয়ের আনন্দে মাতলো লিভারপুল। উত্তেজনায় ঠাসা ফাইনালে ফ্লামেঙ্গোকে হারিয়ে ক্লাব বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন হলো তারা। শনিবার দোহায় কোপা লিবার্তাদোরেস চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষা দিয়ে প্রথমবার বিশ্ব শ্রেষ্ঠত্বের স্বীকৃতি আদায় করলো ইয়ুর্গেন ক্লপের দল। নির্ধারিত সময় গোলশূন্য থাকার পর অতিরিক্ত সময়ের ম্যাচ তারা জিতেছে ১-০ গোলে।

২০০৫ সালের ফাইনালে ব্রাজিলের দল সাও পাওলোর বিপক্ষে হেরেছিল লিভারপুল। এবার ব্রাজিলিয়ান চ্যাম্পিয়নদের হারিয়ে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় দল হিসেবে ক্লাব বিশ্বকাপের শিরোপা জিতল তারা। পাশে বসলো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের।

প্রথম ৬ মিনিটে তিনটি ভালো সুযোগ পেয়ে কাজে লাগাতে পারেনি লিভারপুল। প্রথম মিনিটে জর্ডান হেন্ডারসনের পাসে ঠাণ্ডা মাথায় জালে বল জড়াতে চেয়েছিলেন ফিরমিনো। এগিয়ে আসা গোলকিপার ডিয়েগো আলভেসের মাথার ওপর দিয়ে চিপ করেন তিনি। কিন্তু শটটি গোলবারের ওপর দিয়ে চলে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ফিরমিনোর শট ফিরে পোস্টে লেগে। ৫৪তম মিনিটে আলিসনের নৈপুণ্যে বেঁচে যায় লিভারপুল। ৭৭তম মিনিটে মোহামেদ সালাহ জালে বল পাঠালে অফ সাইডের জন্য গোল হয়নি।

অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে ব্যবধান গড়ে দেন ফিরমিনো। সাদিও মানের কাছ থেকে বল পেয়ে ঠান্ডা মাথায় জালে পাঠান এই ফরোয়ার্ড।

শেষ দিকেও ফ্লামেঙ্গো পেয়েছিল ভালো একটি সুযোগ। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেনি। ব্যবধান ধরে রেখে শিরোপা জিতে নেয় ক্লপের শিষ্যরা।