বিভিন্ন রুটে লঞ্চের ভাড়া, সময়সূচী ও জরুরি তথ্য

0
835
launch-service

বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। নদীপথে যাতায়াতের অন্যতম প্রধান বাহন লঞ্চ। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সাথে যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম লঞ্চ সার্ভিস ( Launch service)। ঢাকার সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল থেকে সাধারণত সকাল ৬টা থেকে শুরু করে রাত ১২টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকার উদ্দেশ্যে লঞ্চগুলো ছেড়ে যায়।

আরো পড়ুন:

সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪৫টি রুটে চলাচল করে অসংখ্য লঞ্চ। যেসকল রুটে চলাচল করে লঞ্চ: ঢাকা থেকে বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, বরগুনা,  ঝালকাঠী, মাদারীপুর, চাঁদপুর, খুলনা, কাউখালী, চরখালী, বড় মাছুয়া, হাতিয়া, মোড়েল গঞ্জ, লালমোহন, হুলারহাট, ভান্ডারীয়া, ইচলী, দৌলতখাঁ, বোরহান উদ্দিন এবং সুরেশ্বররে উদ্দেশ্যে বিভিন্ন লঞ্চ ছেড়ে যায়। 

লঞ্চের ধারণ ক্ষমতা

১৮০০ বর্গফুট থেকে ৩০০০ বর্গফুট আয়তনের লঞ্চগুলো ২৫০ থেকে ১৫০০ যাত্রী বহন করতে পারে। লঞ্চগুলোতে ভিআইপি কেবিন, ডাবল কেবিন, সিঙ্গেল কেবিন, সাইড বেঞ্চ, ফ্লোর এবং ডেকে যাত্রীদের বহনের ব্যবস্থা থাকে। এছাড়া প্রত্যেক লঞ্চেই নামাজ পড়ার আলাদা ব্যবস্থা বা জায়গা রয়েছে। এই জায়গায় এক সাথে ১৫ থেকে ৩০ জন একসাথে নামাজ পড়তে পারে।

লঞ্চের আকৃতি

ঢাকা সদরঘাট থেকে বিভাগীয় শহর বরিশালের যাত্রীবাহী লঞ্চগুলো আকার আকৃতিতে বেশ বড় ও আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত পটুয়াখালী, ঝালকাঠী, পিরোজপুর, ভোলা ও বরগুনার লঞ্চগুলো বরিশালের লঞ্চগুলোর তুলনায় বেশ ছোট। এসকল দূরযাত্রার লঞ্চগুলোর অনেকগুলোই আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন। বরিশালগামী বড় লঞ্চগুলো প্রায় ১,৫০০ (দেড় হাজার) যাত্রী ধারণক্ষমতা সম্পন্ন। এই লঞ্চগুলোতে রয়েছে অত্যাধুনিক আর আরামদায়ক সব ব্যবস্থা। যেমন:

  • ডুপ্লেক্স ভিআইপি কেবিন, ফ্যান ও এয়ার কন্ডিশনার
  • মেডিকেল সেন্টার
  • সেলুন
  • রেস্টুরেন্ট
  • ফ্ল্যাট টিভি
  • আধুনিক অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা

তবে ঢাকা থেকে স্বল্প দূরত্বের লঞ্চগুলো তুলনামূলকভাবে বেশ ছোট। লঞ্চের দুরপাল্লা ও স্বল্প দূরত্বের যাত্রীবাহী লঞ্চ সমূহকে আকৃতির দিক দিয়ে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।

আকৃতি বর্ণনা গন্তব্য
বড়

(৩ থেকে ৪ তলা পর্যন্ত)

৯০০ থেকে প্রায় ১৫০০ যাত্রী ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন। আধুনিক সুযোগ সুবিধা বিদ্যমান। বরিশাল, পিরোজপুর, পটুয়াখালী ও ভোলা।
মাঝারী

(দুই থেকে আড়াই তলা)

৫০০ থেকে ৮৫০ যাত্রী ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন। আধুনিক বড় আকৃতির লঞ্চগুলোর তুলনায় কিছু সুযোগসুবিধা কিছুটা কম। পটুয়াখালী, ভোলা, লালপুর, বরগুনা, ভান্ডারিয়া, ও দক্ষিণাঞ্চলের সকল জায়গায় এই লঞ্চগুলো যাতায়াত করে।
ছোট

(দেড় থেকে দুই তলা বিশিষ্ট

সুযোগ-সুবিধা সীমিত)

১৫০ থেকে ৪০০ যাত্রী বহন করতে সক্ষম এ সব লঞ্চ বড় নদীতে চলার সময় অনেক সাবধানতা অবলম্বন করতে হত। চাঁদপুর, মুন্সিগঞ্জ, দোহার, পাটুরিয়াসহ ঢাকার কাছাকাছি দূরত্বে যাতায়াত করে।

আসন ব্যবস্থাপনা দুরপাল্লার যাত্রীবাহী ছোট বড় লঞ্চ সমূহে ৫ (পাঁচ) ধরনের আসন ব্যবস্থা দেখা যায়। নিচে আস্নের নাম ও ভাড়ার তালিকা দেওয়া হলঃ-

আসন ও ভাড়া সুবিধা
ডুপ্লেক্স ও ভিআইপি কেবিন (বরিশাল বিভাগে চলাচলকারী লঞ্চসমূহ)

ভাড়া ২৭০০ টাকা থেকে ৬০০০ টাকা।

  • দুটো বেড, এসি অথবা ফ্যান সুবিধা।
  • বেডের পাশাপাশি টেবিল চেয়ারের ব্যবস্থা আছে।
  • অনেক ক্ষেত্রে রেফ্রিজারেটর সুবিধা
  • টিভি (দুই চ্যানেল বিশিষ্ট)
  • ডাইনিং সুবিধা
  • আলমারী অথবা তাক সুবিধা
  • বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ
  • কেবিনে বসে খাবার ব্যবস্থা
  • কেবিন বয়
ডাবল কেবিন (বরিশাল বিভাগে চলাচলকারী লঞ্চসমূহ)

ভাড়া ১৭০০ টাকা থেকে ২২০০ টাকা

  • দুই বেড এবং দুটি ফ্যান
  • টিভি (দুই চ্যানেল বিশিষ্ট)
  • আলমারী, তাক ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা হয়
  • কেবিনে বসে খাবার ব্যবস্থা
  • কেবিন বয়
ডাবল কেবিন (কাছাকাছি দূরত্বে চলাচলকারী লঞ্চসমূহ)

ভাড়া ৬০০ টাকা থেকে ১,০০০ টাকা

  • দুই বেড এবং দুটি ফ্যান
  • চেয়ার, টেবিলের ব্যবস্থা
  • কেবিনে বসে খাবার ব্যবস্থা
  • কেবিন বয়
সিঙ্গেল ক্যাবিন (বরিশাল বিভাগে চলাচলকারী লঞ্চসমূহ)

ভাড়া ১০০০  টাকা থেকে ১২০০ টাকা

  • এক বেড ও একটি ফ্যান
  • টিভি (দুই চ্যানেল বিশিষ্ট)
  • কেবিনে বসে খাবার ব্যবস্থা
  • কেবিন বয়
  • আলমারি, তাক ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা আছে।
সিঙ্গেল কেবিন (কাছাকাছি দূরত্বে চলাচলকারী লঞ্চসমূহ)

ভাড়া ৩০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকা

  • এক বেড এবং একটি ফ্যান
  • চেয়ার, টেবিলের ব্যবস্থা
  • কেবিনে বসে খাবার ব্যবস্থা
  • কেবিন বয়
সোফা-কাম-বেড

ভাড়া ৫০০ টাকা থেকে ৭০০ টাকা

তিনজন বসার মত একটি সোফা, তবে তা একজনের জন্য নির্ধারিত। কারণ এ সোফায় রাতে ঘুমানো যায়। কম্বলের ব্যবস্থাও আছে। টিভি দেখার ব্যবস্থা রয়েছে।
ডেক

ভাড়া ১৫০ টাকা থেকে ২৫০ টাকা

ডেক মানে লঞ্চের খোলা স্থান। বড় অনেক লঞ্চে কার্পেট দেয়া আছে। তবে চাদর বালিস নিজ দায়িত্বে নিয়ে আসতে হয়। টিভির ব্যবস্থা আছে।

টিকিট সংগ্রহ:

০১. লঞ্চের কেবিনে ভ্রমনের চাহিদা বাড়ার ফলে। এখন ৩ থেকে ৪ দিন আগে কেবিন বুকিং না দিলে পাওয়া দুস্কর।

০২. শুধুমাত্র কেবিন ও সোফার ক্ষেত্রে কেবিন বুকিং দেয়া যায়। ডেকের জন্য অগ্রীম টিকিটের কোন ব্যবস্থা নেই।

০৩. ফোনে ৫০% অগ্রীম দিয়ে লঞ্চের কেবিন বুকিং দেয়া যায়। অনেক লঞ্চের ক্ষেত্রে পুরোটাই অগ্রীম দিতে হয়।

০৪. কোন কারণে যাত্রা বিরতি করতে চাইলে লঞ্চ কর্তৃপক্ষকে লঞ্চ ছাড়ার কমপক্ষে দু’ঘন্টা আগে জানাতে হবে।

চলাচলের সময়সূচী ও পন্টুন নং

ঢাকার সদরঘাট থেকে লঞ্চগুলো সাধারণত সকাল ৬ টা থেকে শুরু করে রাত ১২ টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন এলাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। সদরঘাটের ১৩ টি পন্টুন দিয়ে যাত্রী লঞ্চে উঠানামা করে।

বিভিন্ন লঞ্চঘাট থেকে লঞ্চের রুট ও সময়সূচী

লঞ্চ রুট ঢাকা থেকে গন্তব্যে ছাড়ার সময় লঞ্চ রুট গন্তব্য থেকে ঢাকায় ফেরার সময়
ঢাকা থেকে বরিশাল ভোর- ৬.১৫ মিনিট

রাত- ৭.৩০ মিনিট

বরিশাল থেকে সদরঘাট, ঢাকা সকাল- ৯.১৫ মিনিট, রাত- ৯.১৫ মিনিট
ঢাকা থেকে চাঁদপুর সকাল- ৯.৫৫ মিনিট

সকাল- ১০.১৫ মিনিট

সন্ধ্যা- ৭.৩০ মিনিট

রাত- ৮.৩০ মিনিট

রাত- ৯ টা

রাত- ১১.২০ মিনিট

রাত- ১২ টা

রাত- ১২.৩০ মিনিট

চাঁদপুর থেকে সদরঘাট, ঢাকা দুপুর- ২ টা

রাত- ২.৩০ মিনিট

রাত- ৩টা

রাত- ৩.৩০ মিনিট

রাত- ৩.৫৫ মিনিট, সকাল-১১ টা,

সকাল-১১.১৫ মিনিট, সকাল-১১.৩৫ মিনিট, সকাল-১১.৪০ মিনিট, রাত- ১২ টা

দুপুর- ১২.২০ মিনিট, রাত- ১২.৩০ মিনিট দুপুর- ১২.৪০ মিনিট, দুপুর- ১২.৪৫ মিনিট, দুপুর- ১০.৪৫ মিনিট, রাত- ১১ টা,

রাত- ১১.১৫ মিনিট, রাত- ১১.৪০ মিনিট, রাত- ১১.৫০ মিনিট

ঢাকা থেকে চাঁদপুর সন্ধ্যা- ৬.৫০ মিনিট

সন্ধ্যা- ৬ টা

সন্ধ্যা- ৭.৩০ মিনিট

রাত- ৮.৩০ মিনিট

চাঁদপুর থেকে সদরঘাট, ঢাকা রাত- ১২.৩০ মিনিট

রাত- ৩.১৫ মিনিট

রাত- ১১.৩০মিনিট

দুপুর- ১২.৩০ মিনিট

ঢাকা থেকে চাঁদপুর সকাল- ১০.৫০ মিনিট

সকাল- ১০.২৫ মিনিট

রাত- ৮.০৫ মিনিট

রাত- ৮.৪৫ মিনিট

বিকাল- ৬.১৫ মিনিট

বিকাল- ৫.৩০ মিনিট

চাঁদপুর থেকে সদরঘাট, ঢাকা রাত- ১০.৪০ মিনিট

রাত- ১০ টা

রাত-১১.৩০ মিনিট

রাত- ১০.৫০ মিনিট

রাত- ৩.৩০ মিনিট

রাত- ১.৩০ মিনিট

দুপুর- ১২.২০ মিনিট

রাত- ১.২০ মিনিট

রাত- ১.৪৫ মিনিট

রাত- ১২.১৫ মিনিট

ঢাকা থেকে চাঁদপুর সন্ধ্যা- ৬ টা

বিকাল- ৫ টা

বিকাল- ৬.১৫ মিনিট

রাত- ৭.৫০ মিনিট

রাত- ১ টা

বিকাল- ৪.৩০ মিনিট

দুপুর- ১২ টা

দুপুর- ১২.৪৫ মিনিট

রাত- ১১.৩০ মিনিট

রাত- ১.৩০ মিনিট

চাঁদপুর থেকে সদরঘাট, ঢাকা ভোর- ৪ টা

রাত- ৩.৩০ মিনিট

রাত- ৩০৫ মিনিট

রাত-১১.৩০মিনিট

রাত- ১ টা

রাত- ১.৩০ মিনিট

রাত- ১ টা

সকাল- ১০.৩০

দুপুর- ১২.৪০ মিনিট দুপুর- ১২.১০ মিনিট

রাত- ১১.২৫ মিনিট সকাল- ১১ টা

ঢাকা থেকে চাঁদপুর রাত- ১.৩০ মিনিট

ভোর- ৪.২০ মিনিট

রাত- ১২ টা

রাত- ৮.১৫ মিনিট

সকাল- ৮.০৫ মিনিট

দুপুর- ২ টা

সন্ধ্যা- ৭ টা

রাত- ৭.৪৫ মিনিট

সন্ধ্যা- ৬ টা

চাঁদপুর থেকে সদরঘাট, ঢাকা রাত- ১২.০৫ মিনিট, সকাল- ১১ টা

বিকাল- ৩.৪৫ মিনিট বিকাল- ৩.০৫ মিনিট দুপুর- ২ টা

রাত- ৩.১৫ মিনিট

রাত- ১২.৩০ মিনিট

রাত- ১১.৪৫ মিনিট

রাত- ১১ টা

রাত- ১১.৩০মিনিট

রাত- ১০৩০ মিনিট

রাত-  ২.৩০ মিনিট

ঢাকা থেকে চাঁদপুর সন্ধ্যা- ৬ টা

রাত- ৯.৪৫ মিনিট

সন্ধ্যা- ৭.৩০ মিনিট

সন্ধ্যা- ৬ টা

রাত- ৯.১৫ মিনিট

বিকাল- ৪ টা

সন্ধ্যা- ৬ টা

বিকাল- ৫.৩০ মিনিট,

রাত- ৮ টা

বিকাল- ৬.৩০ মিনিট

চাঁদপুর থেকে সদরঘাট, ঢাকা রাত- ১১.৩০ মিনিট

রাত- ১১.১৫ মিনিট

দুপুর- ২.৩০ মিনিট

দুপুর- ১২.৪৫ মিনিট

রাত- ১ টা

রাত-  ২.৪৫ মিনিট

রাত-  ১.৩০ মিনিট

ঢাকা থেকে বাগের হাট রাত- ৯.৪৫ মিনিট বাগেরহাট থেকে সদরঘাট, ঢাকা সন্ধ্যা- ৬.৪৫ মিনিট
ঢাকা থেকে চুরিরচর রাস্তার মাথা সকাল- ৮.৩৫ মিনিট

সকাল- ১০ টা

রাত- ৯.৩০ মিনিট

চুরিরচর রাস্তার মাথা থেকে সদরঘাট,ঢাকা সকাল- ৯.৪০ মিনিট

রাত- ৯.২০ মিনিট

রাত- ৯.৪৫ মিনিট

ঢাকা থেকে চরমালিয়া বিকাল- ৫.৩০ মিনিট সন্ধ্যা- ৬ টা

বিকাল- ৬.১৫ মিনিট

সন্ধ্যা- ৭ টা

রাত- ৭.৩০ মিনিট

চরমালিয়া থেকে সদরঘাট, ঢাকা বিকাল- ৪ টা

সন্ধ্যা- ৬.৫০ মিনিট

সন্ধ্যা- ৭.১০ মিনিট

রাত- ৮.১০ মিনিট

ঢাকা থেকে চরমনিয়া বিকাল- ৫.৩০ মিনিট, বিকাল- ৬.১৫ মিনিট

রাত- ৭.৪৫ মিনিট

রাত- ৯.৪৫ মিনিট

চরমনিয়া থেকে সদরঘাট, ঢাকা দুপুর- ১২.৪৫ মিনিট

বিকাল- ৪ টা

রাত- ৭.৪৫ মিনিট

রাত- ৭ টা ৫৫ মিনিট

রাত- ৯.৩৫ মিনিট

ঢাকা থেকে চর দূর্গাপুর রাত- ৯.১৫ মিনিট

রাত- ৯.৪৫ মিনিট

চর দূর্গাপুর থেকে সদরঘাট, ঢাকা সন্ধ্যা- ৭.২৫ মিনিট

রাত- ৮.১৫ মিনিট

ঢাকা থেকে চর কাশেম সকাল- ৮.৩৫ মিনিট

সকাল- ১০ টা

সকাল- ১০.২৫ মিনিট

রাত- ৯.৩০ মিনিট

রাত- ১০.৩০ মিনিট

চর কাশেম থেকে সদরঘাট, ঢাকা রাত- ১২.৩০ মিনিট

দুপুর- ১২.৪৫ মিনিট

রাত- ২.২৫ মিনিট

সকাল- ১০.১৫ মিনিট

দুপুর- ১.৪৫ মিনিট

সকাল- ১১.৪০ মিনিট

ঢাকা থেকে বাহের চর রাত- ৮টা বাহের চর থেকে সদরঘাট, ঢাকা সকাল- ৯ টা
ঢাকা থেকে বন্যাতলী রাত- ৮টা বন্যাতলী থেকে সদরঘাট, ঢাকা দুপুর- ১.২০ মিনিট
ঢাকা থেকে বৈশার হাট সকাল- ৯.৩৫ মিনিট সকাল- ৯.৫৫ মিনিট সকাল- ১০.১৫ মিনিট রাত- ১১.২০ মিনিট

রাত- ১২ টা

দুপুর- ১২.৩০ মিনিট

বৈশার হাট থেকে সদরঘাট, ঢাকা সকাল- ১০.৫০ মিনিট

সকাল-১১ টা

রাত- ৯.৫০ মিনিট

রাত- ১০.১৫ মিনিট রাত- ১০.৪০ মিনিট

ঢাকা থেকে বাংলাবাজার সকাল- ৯.৩৫ মিনিট সকাল- ৯.৫৫ মিনিট

সকাল- ১০.১৫ মিনিট

রাত- ১১.২০ মিনিট

রাত- ১২ টা

দুপুর- ১২.৩০ মিনিট

বাংলাবাজার থেকে সদরঘাট, ঢাকা সকাল- ৯.৫৫ মিনিট, সকাল- ১০.৩০, রাত- ৯.৩০ মিনিট, রাত- ১০.২০ মিনিট, দুপুর- ১০.৪৫ মিনিট
ঢাকা থেকে বানরী পাড়া বিকাল- ৬ টা বানরী পাড়া থেকে সদরঘাট, ঢাকা রাত- ৭.৩০ মিনিট
ঢাকা থেকে বকশিরহাট সন্ধ্যা- ৬.৩০ মিনিট

রাত- ৭.৩০ মিনিট

বকশিরহাট থেকে সদরঘাট, ঢাকা দুপুর- ১২ টা

দুপুর- ১ টা

ঢাকা থেকে চৌমোহনী বিকাল- ৬.১৫ মিনিট চৌমোহনী থেকে সদরঘাট, ঢাকা বিকাল- ৩.২৫ মিনিট
ঢাকা থেকে চন্দনপুর রাত- ১১.৩০ মিনিট

রাত- ১২ টা

চন্দনপুর থেকে সদরঘাট, ঢাকা রাত- ১২.২৫ মিনিট, রাত- ১.২৫ মিনিট, রাত- ১.৪৫ মিনিট
ঢাকা থেকে চরদোয়ানী বিকাল- ৬ টা চরদোয়ানী থেকে সদরঘাট, ঢাকা সকাল- ৯.৪৫ মিনিট
ঢাকা থেকে চর বোরহান রাত- ৮ টা চর বোরহান থেকে সদরঘাট, ঢাকা বিকাল- ৩.০৫ মিনিট
ঢাকা থেকে চর কাজল রাত- ৮ টা চর কাজল থেকে সদরঘাট, ঢাকা দুপর- ১.১৫ মিনিট
ঢাকা থেকে চর বিশ্বাস বিকাল- ৬.৩০ মিনিট চর বিশ্বাস থেকে সদরঘাট, ঢাকা সকাল- ১০ টা
ঢাকা থেকে চর মন্তাজ বিকাল- ৬.৩০ মিনিট চর মন্তাজ থেকে সদরঘাট, ঢাকা রাত- ৮.৩০ মিনিট
ঢাকা থেকে চৌধুরী হাট ভোর- ৬ টা চৌধুরী হাট থেকে সদরঘাট, ঢাকা সন্ধ্যা- ৭.১৫ মিনিট
ঢাকা থেকে চর কলমী সন্ধ্যা- ৬.৩০ মিনিট

সন্ধ্যা- ৬.৫০ মিনিট

চর কলমী থেকে সদরঘাট, ঢাকা দুপুর- ২.১০ মিনিট, দুপুর- ২.১৫ মিনিট
ঢাকা থেকে চর বোরহান সন্ধ্যা- ৭ টা চর বোরহান থেকে সদরঘাট, ঢাকা দুপুর- ২.০৫ মিনিট
ঢাকা থেকে চাঁন্দপুর দুপুর- ২ টা চাঁন্দপুর থেকে সদরঘাট, ঢাকা সকাল- ৮ টা
ঢাকা থেকে চর কলমী রাত- ৭.৩০ মিনিট চর কলমী থেকে সদরঘাট, ঢাকা রাত- ১২.৩০ মিনিট
ঢাকা থেকে চর খালী বিকাল- ৬ টা চর খালী থেকে সদরঘাট, ঢাকা বিকাল- ৪.৪৫ মিনিট
ঢাকা থেকে চৌখালী বিকাল- ৬ টা চৌখালী থেকে সদরঘাট, ঢাকা বিকাল- ৫.৪৫ মিনিট
ঢাকা থেকে চাঁদ খালী বিকাল- ৪ টা চাঁদ খালী থেকে সদরঘাট, ঢাকা বিকাল- ৪.৫৫ মিনিট
ঢাকা থেকে চর কলমী সন্ধ্যা- ৬.৩০ মিনিট

সন্ধ্যা- ৭.৩০ মিনিট

রাত- ৭.৫০ মিনিট

চর কলমী থেকে সদরঘাট, ঢাকা সকাল- ১১.৩০ মিনিট, রাত- ১২.৩০ মিনিট বিকাল- ৩.১৫ মিনিট
ঢাকা থেকে চর ভৈরবী সকাল-  ৯.৩৫ মিনিট

সকাল- ৯.৫৫ মিনিট

সকাল- ১০.১৫ মিনিট

রাত- ১১.২০ মিনিট

রাত- ১২ টা

দুপুর- ১২.৩০ মিনিট

চর ভৈরবী থেকে সদরঘাট, ঢাকা সকাল- ৮.৫০ মিনিট

সকাল- ৯.১০ মিনিট সকাল- ৯.৩০ মিনিট

রাত- ৮ টা

রাত- ৮.২০ মিনিট

রাত- ৮.৫০ মিনিট

ঢাকা থেকে চর বোরহান সন্ধ্যা- ৭ টা

রাত- ৯.৩০ মিনিট

চর বোরহান থেকে সদরঘাট, ঢাকা রাত- ২.০৫ মিনিট, বিকাল- ৩.০৫ মিনিট
ঢাকা থেকে বাবুগঞ্জ বিকাল- ৬.১৫ মিনিট

রাত- ৮.৩০ মিনিট

রাত- ৯ টা

বাবুগঞ্জ থেকে সদরঘাট, ঢাকা বিকাল- ৫.৩৫ মিনিট

রাত- ১০ টা

দুপুর- ১০.৪৫ মিনিট

ঢাকা থেকে বাহের চর বাজার দুপুর- ২টা

বিকাল- ৫.৩০ মিনিট

সন্ধ্যা- ৬টা

সন্ধ্যা- ৭টা

রাত- ৯.৩০ মিনিট

বাহের চর বাজার থেকে সদরঘাট, ঢাকা সকাল- ৮টা

সকাল- ৯ টা

সন্ধ্যা- ৭.৩০ মিনিট

রাত- ৯.৪৫ মিনিট

রাত- ১০.১৫ মিনিট

ঢাকা থেকে আবুপুর সকাল- ৮.০৫ মিনিট

বিকাল- ৫.৩০ মিনিট

রাত- ৮.০৫ মিনিট

রাত- ৮.৪৫ মিনিট

রাত- ৯.১৫ মিনিট

রাত- ৯.৪৫ মিনিট

আবুপুর থেকে সদরঘাট, ঢাকা সকাল- ৯.৩০ মিনিট

রাত- ৮.৪৫ মিনিট

রাত- ৯.৪৫ মিনিট

রাত- ১০ টা

রাত- ১০৩০ মিনিট

রাত- ১১.৩০ মিনিট

ঢাকা থেকে বাঙ্গির চর বিকাল- ৫.৩০ মিনিট সন্ধ্যা- ৭.৩০ মিনিট

রাত- ৮.৩০ মিনিট

বাঙ্গির চর থেকে সদরঘাট, ঢাকা সন্ধ্যা- ৭ টা

রাত- ৭.৪৫ মিনিট

রাত- ৮ টা

ঢাকা থেকে বন্যাতলী সন্ধ্যা- ৭ টা বন্যাতলী থেকে সদরঘাট, ঢাকা রাত- ১২.২০ মিনিট
ঢাকা থেকে বড় বাশদিয়া সন্ধ্যা- ৭ টা

রাত- ৯.৩০ মিনিট

বড় বাশদিয়া থেকে সদরঘাট, ঢাকা সকাল- ১০ টা

রাত- ১২.২০ মিনিট দুপুর- ১.২০ মিনিট

ঢাকা থেকে বাংলাবাজার বিকাল- ৬ টা বাংলাবাজার থেকে সদরঘাট, ঢাকা বিকাল- ৬.১৫ মিনিট
ঢাকা থেকে বানরী পাড়া বিকাল- ৬ টা বানরী পাড়া থেকে সদরঘাট, ঢাকা বিকাল- ৬.০৫ মিনিট
ঢাকা থেকে বাকুটিয়া বিকাল- ৬ টা বাকুটিয়া থেকে সদরঘাট, ঢাকা বিকাল- ৪ টা
ঢাকা থেকে বাদশা নগর দুপুর- ২.৩০ মিনিট বাদশা নগর থেকে সদরঘাট, ঢাকা সন্ধ্যা- ৬.৪০ মিনিট
ঢাকা থেকে বকশিরহাট রাত- ৭.৩০ মিনিট বকশিরহাট থেকে সদরঘাট, ঢাকা দুপুর- ১ টা
ঢাকা থেকে বাশ বাড়িয়া সন্ধ্যা- ৬.৩০ মিনিট

সন্ধ্যা- ৭টা

সন্ধ্যা- ৭.৩০ মিনিট

রাত- ৯.৩০ মিনিট

বাশ বাড়িয়া থেকে সদরঘাট, ঢাকা দুপুর- ২.৪০ মিনিট, বিকাল- ৩.৩০ মিনিট, বিকাল- ৩.৪০ মিনিট, বিকাল- ৪.৩০ মিনিট
ঢাকা থেকে আমখোলা বিকাল- ৫.৩০ মিনিট, বিকাল- ৬ টা আমখোলা থেকে সদরঘাট, ঢাকা রাত- ১২.৫৫ মিনিট, বিকাল- ৬ টা
ঢাকা থেকে আওলিয়াপুর সন্ধ্যা- ৭ টা

রাত- ৮ টা

রাত- ৯.৩০ মিনিট

আওলিয়াপুর থেকে সদরঘাট, ঢাকা দুপুর- ২.১৫ মিনিট, বিকাল- ৩.১৫ মিনিট
ঢাকা থেকে আমুয়া বিকাল- ৫ টা

বিকাল- ৬ টা

আমুয়া থেকে সদরঘাট, ঢাকা দুপুর- ২.৩০ মিনিট
ঢাকা থেকে আনন্দ বাজার রাত- ১২ টা

রাত- ১১.৩০ মিনিট

আনন্দ বাজার থেকে সদরঘাট, ঢাকা সকাল- ৯.২৫ মিনিট
ঢাকা থেকে আলিমাবাদ সন্ধ্যা- ৭ টা আলিমাবাদ থেকে সদরঘাট, ঢাকা বিকাল- ৫.৫৫ মিনিট, সন্ধ্যা- ৬.৪০ মিনিট
ঢাকা থেকে আমতলী দুপুর- ২.৩০ মিনিট

বিকাল- ৪টা

আমতলী থেকে সদরঘাট,ঢাকা দুপুর- ২টা বিকাল- ৪.৩০ মিনিট
ঢাকা থেকে আন্ডার চর সন্ধ্যা- ৬টা

রাত-৭.৩০ মিনিট

আন্ডার চর থেকে সদরঘাট,ঢাকা বিকাল- ৫.৪০ মিনিট, বিকাল- ৫.৪৫ মিনিট
ঢাকা থেকে বগা দুপুর- ২.৩০ মিনিট

বিকাল- ৩টা

সন্ধ্যা- ৬টা

সন্ধ্যা- ৬.৩০ মিনিট

সন্ধ্যা- ৭.০৫ মিনিট

বগা থেকে সদরঘাট,ঢাকা বিকাল- ৪.১০ মিনিট, সন্ধ্যা- ৬টা সন্ধ্যা- ৭.১৫ মিনিট, রাত- ৭.৩০ মিনিট
ঢাকা থেকে বাগদা বিকাল- ৬.১৫ মিনিট বাগদা থেকে সদরঘাট,ঢাকা দুপুর-২.১৫ মিনিট
ঢাকা থেকে বেতাগী বিকাল- ৫টা

বিকাল- ৬টা

বেতাগী থেকে সদরঘাট,ঢাকা বিকাল- ৩.৩০ মিনিট, সন্ধ্যা- ৭ টা
ঢাকা থেকে বামনা বিকাল- ৫টা

বিকাল- ৬টা

বামনা থেকে সদরঘাট,ঢাকা দুপুর- ২টা বিকাল- ৬টা
ঢাকা থেকে বদরপুর রাত-৮.০৫ মিনিট

রাত-৮.৪৫ মিনিট

বদরপুর থেকে সদরঘাট,ঢাকা রাত- ১০.৫৫ মিনিট
ঢাকা থেকে বালিয়াতলী দুপুর- ২.৩০ মিনিট রাত- ৭.৩০ মিনিট বালিয়াতলী থেকে সদরঘাট,ঢাকা দুপুর- ২.২৫ মিনিট, বিকাল- ৫টা
ঢাকা থেকে বাগমারা রাত- ৭.৩০ মিনিট বাগমারা থেকে সদরঘাট,ঢাকা বিকাল- ৪.৪৫ মিনিট
ঢাকা থেকে রোরহান উদ্দিন রাত- ৭.৩০ মিনিট রোরহান উদ্দিন থেকে সদরঘাট,ঢাকা দুপুর- ২.৪৫ মিনিট
ঢাকা থেকে বিশ্বাসের হাট দুপুর- ২টা

বিকাল- ৪টা

বিকাল- ৬.১৫ মিনিট

বিশ্বাসের হাট থেকে সদরঘাট,ঢাকা বিকাল- ৫.৩০ মিনিট, সন্ধ্যা- ৬টা সন্ধ্যা- ৬.৪৫ মিনিট
ঢাকা থেকে বোয়ালিয়া বিকাল- ৫.৩০ মিনিট,

বিকাল- ৬টা

বোয়ালিয়া থেকে সদরঘাট,ঢাকা সন্ধ্যা- ৭টা রাত- ৮.৫৫ মিনিট
ঢাকা থেকে বন্দারহাট বিকাল- ৬টা বন্দারহাট থেকে সদরঘাট,ঢাকা বিকাল- ৬টা
ঢাকা থেকে বাশবাড়ি সন্ধ্যা- ৬টা

সন্ধ্যা- ৬.৩০ মিনিট

সন্ধ্যা- ৭.৩০ মিনিট

রাত- ৮টা

বাশবাড়ি থেকে সদরঘাট,ঢাকা বিকাল- ৩.৩০ মিনিট, বিকাল- ৩.৪০ মিনিট, বিকাল- ৪.৩০ মিনিটবিকাল- ৫টা
ঢাকা থেকে বাদলপাড়া রাত- ৮.১৫ মিনিট বাদলপাড়া থেকে সদরঘাট,ঢাকা রাত-৮.১০ মিনিট
ঢাকা থেকে বাঞ্চারামপুর রাত- ১০.৩০ মিনিট বাঞ্চারামপুর থেকে সদরঘাট,ঢাকা সকাল- ১০.১০ মিনিট
ঢাকা থেকে বাঞ্চারামপুর রাত- ১০.৩০ মিনিট বাঞ্চারামপুর থেকে সদরঘাট,ঢাকা সকাল- ৯.১০ মিনিট
ঢাকা থেকে বাহের চর বাজার রাত- ৮টা

রাত- ৯.৩০ মিনিট

রাত- ১০.৩০ মিনিট

বাহের চর বাজার থেকে সদরঘাট,ঢাকা দুপুর- ১২টা সকাল- ৯.৩০ মিনিট, রাত- ১টারাত- ১১ টা
ঢাকা থেকে বোদার বাজার রাত- ১০৩০ মিনিট

রাত-১১.৩০মিনিট

রাত-১২ টা

বোদার বাজার থেকে সদরঘাট,ঢাকা দুপুর- ১.০৫ মিনিট, রাত- ১.২৫ মিনিট, দুপুর-২.০৫ মিনিট
ঢাকা থেকে বাঙ্গির চর রাত- ৭.৩০ মিনিট বাঙ্গির চর থেকে সদরঘাট,ঢাকা সন্ধ্যা- ৭ টা

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের ৫ ও ৮ নং গেট দিয়ে মালসহ গাড়ি সরাসরি লঞ্চ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া যায়। ভ্যান গাড়ির ভাড়া ১০ টাকা। মালামালের ভাড়া

  • একজন যাত্রী সর্বোচ্চ ২০ কেজি পর্যন্ত মালামাল বহন করতে পারে যা টিকেটের অন্তর্ভূক্ত। অতিরিক্ত মালামালের জন্য অতিরিক্ত চার্জ প্রদান করতে হয়।

লঞ্চে অতিরিক্ত মালামাল ও সদরঘাটের কুলির মজুরি

ক্রমিক নং বিবরণ মালামালের পরিমাণ মজুরী হার টাকায়
বিভিন্ন ধরনের লাগেজ / ব্যাগেজ

রাস্তা থেকে লঞ্চস্টিমার পর্যন্ত

অথবা লঞ্চ/স্টিমার থেকে রাস্তা পর্যন্ত পিঠে/মাথায়/হাতে বহযোগ্য।

(একজনা কুলির ক্ষেত্রে)

অনাধিক ১০ কেজি (১টি ব্যাগ) ১০/-
অনাধিক ২০ কেজি (১টি ব্যাগ) ২০/-
অনাধিক ৩০ কেজি (২টি ব্যাগ) ৩০/-
অনাধিক ৪০ কেজি (১টি ব্যাগ) ৩০/-
অনাধিক ৪০ কেজি (২টি ব্যাগ) ৪০/-
অনাধিক ৬০ কেজি (১টি ব্যাগ) ৪০/-
অনাধিক ৪০ কেজি (২টি ব্যাগ) ৫০-
স্টীল/কাঠের আলমারী

(একাধিক শ্রমিকের ক্ষেত্রে)

প্রতিটি (সর্বোচ্চ ওজন ১০০ কে,জি পর্যন্ত) ১০০/-
কাপড়ের গাইট

(একাধিক শ্রমিকের ক্ষেত্রে)

(ভ্যান বা মাথায়)

প্রতিটি (৫০ কে.জি পর্যন্ত) ৫০/-
৫০ কেজির ঊধ্বে প্রতি ২০ কেজির জন্য ১০/-
কাঠের/স্টীলের খাট সাকুল্যে প্রতিটি ১০০/-
কাঠের /স্টীলের/বেতের টেবিল/চেয়ার প্রতিটি ২০/-
ফ্রিজ (সকল আয়তনের) প্রতিটি ৫০/-
টেলিভিশন (সকল ধরনের) প্রতিটি ২০/-
হার্ডওয়্যার মালামাল/ অন্যান্য মালামাল

(কার্টুন/প্যাকেট/ঝুড়ি ইত্যাদি)

৫০ কে.জি পর্যন্ত প্রতিটি ৪০/-
মোটর সাইকেল প্রতিটি ২৫/-
১০ বাইসাইকেল প্রতিটি ২০/-
১১ সিলিং ফ্যান/টেবিল ফ্যান/ অন্যান্য তৈজস পত্র দরকার পড়ে না


ক্যান্টিন

প্রায় প্রতিটি লঞ্চেই একটি ক্যান্টিন রয়েছে। এস ক্যান্টিনে দাম স্বাভাবিক মূল্যে ১০% থেকে ২৫% পর্যন্ত বেশি রাখা হয়।

খাবারের নাম মূল্য (টাকা)
চা (প্রতি কাপ) ৮-১০
কফি (প্রতি কাপ) ২০-৫০
বিস্কুট (প্রতি পিস) ৪-৫
ভাত (প্রতি প্লেট) ১৫-২০
ডাল ভুনা ১২-২০
ইলিশ মাছ (প্রতি পিস) ১০০-১৫০
রুই মাছ (প্রতি পিস) ১০০-১৫০
মুরগীর মাংস ১৬০
মিনারেল ওয়াটার (১ লিটার) ৩০
কোমল পানীয় (১ লিটার) ৭০
চিপস ৮-২০

 

নামাজের স্থান

সাধারনত লঞ্চের উপরের তলায় ছাদ নামাজের জন্য সংরক্ষিত থাকে যেখানে একসাথে ২০ থেকে ৫০ জন মুসল্লী নামাজ আদায় করতে পারেন।

নিরাপত্তা ও দুর্যোগ মোকাবেলা

লঞ্চে আরোহিত যাত্রীদের সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে নিজস্ব নিরাপত্তা কর্মী নিয়োজিত রয়েছে। যেকোন দুর্যোগে যাত্রীদের জীবন রক্ষার জন্য ৮০ টি বয়া ও ১০ টি টায়ার ও অগ্নি নিরাপত্তায় ৪ টি ফায়ার বাকেট রয়েছে। এগুলো প্রতি ফ্লোরের দুই দিকে ছাদের অংশে এবং কেবিনের পাশে সারিবদ্ধভাবে সংরক্ষিত থাকে। প্রতিটি বয়া ৪ জন যাত্রী বহন করতে পারে।

জরুরী প্রয়োজনে যাত্রীদের প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের জন্য ফার্স্ট এইড ব্যবস্থা রয়েছে। সাধারণত ২ নম্বর সংকেত পর্যন্ত চলাচল করতে পারে। ৩ নম্বর সংকেত দেখা দিলে আর চলাচল করে না।

টয়লেট

  • ভি.আই.পি শ্রেণীর যাত্রীদের জন্য ১০ থেকে ২০টি কেবিনের জন্য ১ টি করে টয়লেট রয়েছে।
  • ২য় শ্রেণীর যাত্রীদের জন্য মহিলা ও পুরুষ পৃথক ২ টি করে ৪ টি করে টয়লেট সাধারণত থাকে।
  • ৩য় শ্রেণীর যাত্রীদের জন্য লঞ্চের নিচতলার শেষ প্রান্তে পুরুষ ও মহিলাদের জন্য পৃথক ৩ টি করে ৬ টি টয়লেট রয়েছে।

সাবধানতা

০১. বাংলাদেশে প্রতিবছর লঞ্চ দুর্ঘটনায় শত শত মানুষ মারা যায়। সুতরাং অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে কখনও লঞ্চে উঠা ঠিক না।

০২. নিজের ব্যাগ লাগেজ ও মালামাল নিজ দ্বায়িত্বে রাখবেন।

০৩. অপরিচিত কারও দেয়া খাবার খাবেন না।

০৪. নগদ বেশি টাকা থাকলে তা লঞ্চের মাস্টারের কাছে জমা রাখতে পারেন।

০৫. বৈধ লাইসেন্সকৃত অস্ত্র  থাকলে তা লঞ্চের মাস্টারকে অবহিত করে আনসার সদস্যদের কাছে জমা রাখুন।

০৬. যাত্রা পথে লঞ্চ বয়লা (যা দ্বারা পানিতে ভেসে থাকা যায়) আছে কিনা তা লক্ষ করুন।

০৭. প্রয়োজন বোধে একটা লাইফ জ্যাকেট সঙ্গে রাখতে পারেন।

০৮. চাঁদপুর মোহনা অর্থাৎ পদ্মা ও মেঘনা নদীর সংগম স্থান এখানেই বেশিরভাগ লঞ্চ দুর্ঘটনা ঘটেছে। সুতরাং চাঁদপুর এলে একটু সজাগ থাকার চেষ্টা করুন।

সরকারী উদ্যোগে বেশিরভাগ স্টীমার সার্ভিস পরিচালিত হয়। ১৩ নং পন্টুন থেকে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের উদ্দেশ্যে স্টীমারগুলো ছেড়ে যায়। স্টীমার সার্ভিসের রুট ও ভাড়ার হার নিম্নরূপ:

দুরত্ব প্রথম শ্রেণীর ভাড়া দ্বিতীয় শ্রেণীর ভাড়া সুলভ শ্রেণীর ভাড়া
ঢাকা থেকে চাঁদপুর ২৩৫/= টাকা ১৪০/= টাকা ৫০/= টাকা
ঢাকা থেকে বরিশাল ৫৬৫/= টাকা ৩৫৫/= টাকা ৯৫/= টাকা
ঢাকা থেকে ঝালকাঠি ৬৫৫/= টাকা ৩৯০/= টাকা ১০০/= টাকা
ঢাকা থেকে কাউখালী ৭১৫/= টাকা ৪৪০/= টাকা ১০৫/= টাকা
ঢাকা থেকে হুলার হাট ৭৪৫/= টাকা ৪৫০/= টাকা ১২০/= টাকা
ঢাকা থেকে চরখালী ৭৭৫/= টাকা ৪৫০/= টাকা ১২৫/= টাকা
ঢাকা থেকে বড় মাছুয়া ৮৮০/= টাকা ৫৩০/= টাকা ১৩৫/= টাকা
ঢাকা থেকে সন্যাসী ৮৮৫/= টাকা ৫৪৫/= টাকা ১৪০/= টাকা
ঢাকা থেকে মোড়েল গঞ্জ ৮৮৫/= টাকা ৫৪৫/= টাকা ১৪০/= টাকা
ঢাকা থেকে মংলা বন্দর ১২৩০/= টাকা ৬২৫/= টাকা ১৬০/= টাকা

লঞ্চের স্টফ

প্রত্যেক লঞ্চে ইনচার্জ মাস্টার অফিসার, ইনচার্জ মাস্টার, ড্রাইভার, হুইল সুগানী, টালী সুগানী, কেরানী, বয়, বাবুর্চী, গিরিজার, ভান্ডারী, সুইপার এবং খালাসী কর্মরত থাকে।

তাৎক্ষণিক সাহায্য

যেকোন সমস্যায় যাত্রীগণ তাৎক্ষণিক সাহায্যের জন্য টার্মিনাল কর্তৃপক্ষের শরণাপন্ন হতে পারে। এজন্য ফোন / মোবাইল নম্বরের মাধ্যমে যোগাযাগ করতে হবে। নম্বরগুলো হলো ০২-৭১১৩৩৭২, ০১৫৫৩২০৭৬২৬ এবং ০৪৭১১১২৮০৪৫।

শৌচাগার

এই লঞ্চ টার্মিনালে একটি গণশৌচাগার রয়েছে। টার্মিনাল ভবনের একদম পূর্ব পাশে এটি অবস্থিত।  এই শৌচাগারে পুরুষ ও মহিলার জন্য আলাদা ব্যবস্থা রয়েছে। এখানে পুরুষদের জন্য ৪ টি টয়লেট, ৪টি প্রস্রাবখানা ও ২টি বেসিন রয়েছে। মহিলাদের জন্য ২টা টয়লেট, ২টা প্রস্রাবখানা ও ১টি বেসিন রয়েছে। এই শৌচাগার সম্পূর্ণ বিনা পয়সায় ব্যবহার করা যায়।

গাড়ি পার্কিং

এই টার্মিনালে ছোট বড় প্রায় ৫০ টির মতো গাড়ি পার্কিং করা যায়। এখানে প্রথম ২ ঘন্টায় পার্কিং করতে মোটর সাইকেল/ স্কুটার/ বেবী টেক্সী ৫ টাকা, কার/ জিপ ৮ টাকা, মাক্রোবাস ১০ টাকা, বাস/ ট্রাক- ১৫ টাকা চার্জ প্রদান করতে হয়।

২ ঘন্টার পর প্রতি ঘন্টায় উপরোক্ত হারে চার্জ প্রদান করতে হয়।

অন্যান্য সুবিধাঃ-

টার্মিনাল ভবনের দ্বিতীয় তলায় জনতা ব্যাংকের শাখা,  ৩ নং গেটের সামনে পুলিশ ফাঁড়ি এবং ২ নং গেটে অস্থায়ী আনসার ক্যাম্প রয়েছে। এছাড়া ৪ নং গেটের ডান পাশে মসজিদ রয়েছে। এখানে একসাথে ৬০ থেকে ৭০ জন ব্যক্তি নামাজ আদায় করতে পারে।

লঞ্চগুলোতে বিনোদনের তেমন কোন ব্যবস্থা নেই। তবে প্রত্যেক লঞ্চের নিচতলায় ক্যান্টিন, ফাষ্টফুড, ফাষ্ট এইড বক্স এবং সেলুন রয়েছে। ঈদের সময় লঞ্চগুলোতে ব্যাপক ভিড় হয়ে থাকে। সাধারণত ২ নম্বর বিপদ সংকেতে লঞ্চগুলো চলাচল করলেও ৩ নম্বর বিপদ সংকেতে এসব লঞ্চ চলাচল করে না।