বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আরও শক্তি সঞ্চয় করে পরিণত হয়েছে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে; অস্থিরমতি এই ঘূর্ণিবায়ু কোন উপকূলে আঘাত হানতে চলেছে সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত হতে পারেননি আবহাওয়াবিদরা।

রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে এ কথা জানানো হয়েছে। রাতে আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বুলেটিনে জানানো হয়, ‘বুলবুল’ চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার থেকে ৭৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭৩৫ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৭০৫ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।

জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ আবদুল মান্নান বলেন, শুক্রবার সকালে ঘূর্ণিঝড়টি আরও ঘনীভূত হতে পারে। রোববার নাগাদ পৌঁছাতে পারে উত্তর বঙ্গোপসাগরে।

“ঝড়ের শক্তি বাড়লে শুক্রবার সতর্কতার মাত্রাও বাড়ানো হতে পারে। সেক্ষেত্রে ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে জলীয় বাষ্প বাড়ায় উপকূলীয় এলাকায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে।”

বুলবুলের কারণে বাতাসের গতিবেগ ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে থাকার সম্ভাবনা বেশি। এটি ৯ নভেম্বর রাতে অথবা ১০ নভেম্বর সকালের দিকে উপকূলে আঘাত করতে পারে।

আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ বলেন, শক্তি সামর্থ্য যাই হোক না কেন, ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে খুলনা, বরিশাল উপকূলসহ ঢাকা ও এর আশপাশের অঞ্চলে বৃষ্টি হতে পারে।