গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়ার সহজ উপায়, কিভাবে আবেদন করবেন? জেনে রাখুন ৫টি গোপন কৌশল, গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্ট গুগল অ্যাডসেন্স লগইন কিভাবে গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্ট খুলব গুগল অ্যাডসেন্স থেকে কত টাকা আয় গুগল অ্যাডসেন্স এর নিয়ম গুগল অ্যাডসেন্স এর কাজ কি গুগল অ্যাডসেন্স ইউটিউব গুগল অ্যাডসেন্স পেমেন্ট
গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়ার সহজ উপায়, কিভাবে আবেদন করবেন? জেনে রাখুন ৫টি গোপন কৌশল

গুগল অ্যাডসেন্স Google Adsense অনুমোদন পাওয়া, কিভাবে আবেদন করব, একাউন্ট খুলব, কত টাকা আয় হবে ও টাকা আনার উপায় সহ গুগল অ্যাডসেন্স সম্পর্কে আরও অনেক কিছু জানার আগ্রহ কম বেশি অনেকেরই রয়েছে। বিশেষ করে যারা কিনা ওয়েব কনটেন্ট দ্বারা গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয় করেন। ওয়েবসাইটে বিষয় ভিত্তিক বিজ্ঞাপন জগতে গুগলের রয়েছে একক আধিপত্য। আর বিষয়টি যখন ওয়েব বিজ্ঞাপনের, তখন সবার প্রথম পছন্দ গুগল অ্যাডসেন্স।

ঝামেলা-মুক্ত লেনদেন, সাপোর্ট ফোরাম, অধিক আয়ের সুযোগ এবং একই একাউন্ট ব্যবহার করে একাধিক অনুমোদিত ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে গুগল অ্যাডসেন্স থেকে আয়ের সুযোগ রয়েছে। আর ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়া এখন স্বপ্নে পরিণত হয়েছে।

এই ব্লগ পোস্টের মূল আলোচ্য বিষয় হলো গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্ট ওপেন করে এর অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে আপনাদের সামনে তুলে ধরা। সময় যত এগিয়ে যাচ্ছে ততোই পরিবর্তন হচ্ছে Google Adsence অনুমোদন পাওয়ার পূর্বশর্ত। সেই লক্ষ্যে আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরবো কিভাবে কিভাবে গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্ট খুলব, এবং এর অনুমোদন পাওয়ার উপায়।

গুগল অ্যাডসেন্স কি?

Google AdSense হল Google – এর একটি প্রোগ্রাম যা প্রকাশকদের তাদের ওয়েবসাইট বা অ্যাপে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে অর্থ উপার্জন করতে দেয়। যখন একজন ব্যবহারকারী AdSense-এ অংশগ্রহণ করে এমন একটি ওয়েবসাইট বা অ্যাপে যান, তখন Google ব্যবহারকারীর আগ্রহের সাথে প্রাসঙ্গিক বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে এবং সেই ব্যবহারকারী কোনো বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে তখন প্রকাশক সেই বিজ্ঞাপন থেকে কমিশন উপার্জন করবেন।

গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট অনুমোদন প্রক্রিয়া ২০২৩

Google Adsence পৃথিবীর সবচেয়ে বড় টেক জায়ান্ট কোম্পানি গুগলের একটি প্রোডাক্ট। এছাড়াও বহুল পরিচিত ও পৃথিবীর বড় বড় বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক গুলোর মধ্যে Goggle Adsense এর অবস্থা সবার থেকে এগিয়ে। এর কারণ হলো অধিক আয়ের সুযোগ, অন্যান্য বিজ্ঞাপন সংস্থার চেয়ে উচ্চ ক্লিক রেট, স্বচ্ছ রিপোর্ট এবং আরও বিশেষ সুযোগ সুবিধার কারণে সবার ঝোঁক অ্যাডসেন্সের দিকে।

একটা সময় ছিল যখন মাত্র অল্প কিছু সংখ্যক আর্টিকেল পাবলিশ করেই পাওয়া যেতো গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন। কিন্তু সে সময় পেরিয়ে অনেক পরিবর্তন হয়েছে গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন এর নীতিমালা। সেই সাথে এসেছে দারুণ সব ফিচার।

গুগল অ্যাডসেন্স পাওয়ার উপায়?

শুধুমাত্র কিছু সংখ্যক আর্টিকেল পাবলিশ করেই পাওয়া যাবেনা গুগল অ্যাডসেন্স এর অনুমোদন। বিজ্ঞাপনের জন্য অনুমোদন পেতে হলে কাজ করতে হবে গুগল অ্যাডসেন্সের নিয়ম নীতিমালা অনুসরণ করে। নিয়ম নীতিমালা লঙ্ঘন করে কাজ করলে পাওয়া যাবেনা বিজ্ঞাপন দেখানোর অনুমোদন। তাই শুরু থেকেই কাজ করে যেতে হবে অ্যাডসেন্সের অনুমোদন নীতিমালা অনুসরণ করে। চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে যা এই ব্লগ পোস্ট এর মূল আলোচ্য বিষয়।

বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়ার পূর্বে যে বিষয় গুলো নিশ্চিত করতে হবে সেগুলো হলো।

  • গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্ট
  • ওয়েবসাইট বা ব্লগ ডিজাইন।
  • কাস্টম ডোমেইন নাম ও ভালো হোস্টিং ব্যবহার করা।
  • কোয়ালিটি সমৃদ্ধ এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল পাবলিশ করা।
  • গুরুত্বপূর্ণ পেজ তৈরি করা।
  • নিশ্চিত করুন যে আপনার বয়স ১৮+

কিভাবে গুগল অ্যাডসেন্স একাউন্ট খুলব

কিভাবে একটি AdSense অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হয় তার ধাপগুলি এখানে দেওয়া হল:

  • AdSense ওয়েবসাইটে যান এবং Get Started এ ক্লিক করুন। – https://adsense.google.com/start/ লিঙ্কে যান।
  • এক্ষেত্রে আপনি আগ থেকেই Gmail account ব্যবহার করলে নতুন ভাবে একাউন্ট তৈরী করতে হবে না, তা না থাকলে, AdSense অ্যাকাউন্ট তৈরি করার সময় Gmail অ্যাকাউন্ট তৈরি করুন।
  • আপনি যে সাইটে বিজ্ঞাপন দেখাতে চান তার URL লিখুন। আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের হেডারে AdSense থেকে কোডের একটি অংশ কপি এবং পেস্ট করতে হবে। যদি আপনি সাইট পরে যোগ করতে চান তাহলে এই ফিল্ড খালি রাখুন এবং বিকল্প বেছে নিন।
  • আপনার অর্থপ্রদানের দেশ বা অঞ্চল নির্বাচন করুন।
  • অ্যাডসেন্সের নিয়ম ও শর্তাবলী পর্যালোচনা করুন এবং স্বীকার করুন।

Create Account এ ক্লিক করুন।

একবার আপনি AdSense-এ আপনার ওয়েবসাইট যোগ করলে, আপনি কয়েক দিনের মধ্যে এডসেন্স থেকে ইমেইলে জানতে পারবেন আপনার ওয়েবসাইট অনুমোদন হয়েছে কিনা অথবা কি সমস্যা রয়েছে ।

এখানে উল্লেখ্য, ওয়েবসাইট অনুমোদন হওয়ার আগ পর্যন্ত এডসেন্সের কিছু ফিচার নিষ্ক্রিয় দেখাবে, অনুমোদন পাওয়ার পর সেগুলো সক্রিয় হবে।

ওয়েবসাইট বা ব্লগ ডিজাইন:  

ওয়েবসাইট বা ব্লগ ডিজাইনের সময় মনে রাখতে হবে যে ওয়েবসাইটের কাঠামো যেনো এসইও ফ্রেন্ডলি ডিজাইন সমৃদ্ধ হয় এবং ওয়েবসাইটের কাঠামো যাতে কোনোভাবে অ্যাডসেন্সের নীতিমালা লঙ্ঘন না করে।

সাইট ডিজাইনের সময় একটি সাধারণ ও প্রফেশনাল থিম বা টেমপ্লেট ব্যবহার করে মোবাইল ফ্রেন্ডলি রেসপন্সিভ ডিজাইন তৈরি করতে হবে। থিমে ন্যাভিগেশন পদ্ধতি গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন পেতে সাহায্য করে।

কাস্টম ডোমেইন হোস্টিং ব্যবহার করা:

কাস্টম ডোমেইন নাম ব্যবহার করলে ব্লগ বা ওয়েবসাইটের ঠিকানার সৌন্দর্যতা বৃদ্ধি এবং দ্রুত পরিচিতি বৃদ্ধি পায় এবং ব্যবহারকারী ব্লগ বা ওয়েবসাইট ব্যবহারে সহজেই সম্মতি প্রদান করে। এছাড়াও কাস্টম ডোমেইন নাম ব্যক্তিগত ব্রান্ডিং করতেও সাহায্য করে।

তাই ব্লগার বা অন্য যে কোনো CMS (Content Management System) যেমন, ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলা ইত্যাদি ব্যবহার করলে অবশ্যই কাস্টম ডোমেইন নাম ব্যবহার করা উচিৎ।

কাস্টম ডোমেইন নাম ব্যবহারের পাশাপাশি ওয়েবসাইটের অন্যান্য সকল ডাটা নিরাপদে সংরক্ষণ করার জন্য প্রয়োজন একটি ভালো মানের হোস্টিং ব্যবহার করা। যদিও ব্লগারের মাধ্যমে ওয়েবসাইট তৈরি করলে হোস্টিং এর প্রয়োজনীয়তা নেই কিন্তু অন্যান্য CMS (Content Management System) ব্যবহারের জন্য প্রয়োজন হবে ভালো মানের হোস্টিং। হোস্টিং শুধুমাত্র ওয়েবসাইট এর ডাটা সংরক্ষণ করার জন্য নয় বরং ওয়েবসাইটের স্পীড বৃদ্ধি করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কোয়ালিটি সমৃদ্ধ এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল পাবলিশ করা:

গুগল প্রতিটি ওয়েবসাইটের কনটেন্ট গুলোকে তার ডাটাবেজে স্টোর করে রাখে এবং ব্যবহারকারী যখন সেই কোনোকিছু লিখে গুগলের সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করে তখন গুগল সেই স্টোর করা কনটেন্ট গুলো ফিল্টার করে ফলাফল হিসেবে দেখায়। গুগল সবসময় ব্যবহারকারী কে সঠিক তথ্য দিতে পছন্দ করে।

ব্লগিং-এর দুনিয়ায় কনটেন্টকে একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ এর প্রাণ হিসেবে ধরা হয়। তুলনা করলে প্রতিটি কনটেন্টকে যখন একটি দোকান বা স্টোর এর আলাদা আলাদা প্রোডাক্ট হিসেবে ধরা হবে তখন সেই তুলনায় প্রোডাক্ট এর মান যতো ভালো হবে কাস্টমার সংখ্যা ততো বৃদ্ধি হবে।

তাই একটি ব্লগ বা ও ওয়েবসাইটে যত ভালো আর্টিকেল থাকবে ততো বেশি ভিজিটর পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে এবং গুগল দ্রুত সেই ওয়েবসাইট কে র‍্যাংক দেওয়া শুরু করবে।

  • ন্যূনতম কত শব্দের আর্টিকেল লিখতে হয়?

নুন্যতম কত শব্দের আর্টিকেল লিখতে হবে এটি কোথাও উল্লেখ করা নেই। গুগল সবসময় তথ্যবহুল আর্টিকেল পছন্দ করে। একটি ওয়েবসাইটের কনটেন্ট ১০০ – ৪০০ শব্দের ও হতে পারে আবার ১ থেকে ৫ হাজার শব্দের ও হতে পারে।

তবে অভিজ্ঞরা বলে আসছেন যে, অ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়ার জন্য ৫০০- থেকে ৭০০ শব্দ বা এর বেশি শব্দ নিয়ে কনটেন্ট লেখা উচিৎ।

ChatGPT ব্যবহার করে কনটেন্ট লিখে গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন পাব কিনা ?

না পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

আপনি যদি ChatGPT ব্যবহার করে কন্টেন্ট লিখে প্যারাফ্রেজিং টুল ব্যবহার করে সেই বিষয়বস্তু ব্লগে পোস্ট করেন তাহলে নতুন AdSense অনুমোদিন পেতে আপনার সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

কন্টেন্ট জেনারেট করতে স্বয়ংক্রিয় টুল ব্যবহার করার বিরুদ্ধে AdSense-এর একটি নীতি রয়েছে এবং তারা সহজেই শনাক্ত করতে পারে যে আপনার সামগ্রী কোনও মেশিন দ্বারা তৈরি করা হয়েছে কিনা।

যদি তারা জানতে পারে যে আপনি আপনার বিষয়বস্তু তৈরি করার জন্য ChatGPT ব্যবহার করছেন, তাহলে তারা সম্ভবত আপনার AdSense অ্যাকাউন্ট বাতিল করে দিতে পারে।

আপনার AdSense অ্যাকাউন্ট হারানোর ঝুঁকি ছাড়াও, আপনার ব্লগের জন্য সামগ্রী তৈরি করতে ChatGPT ব্যবহার না করার অন্যান্য কারণ রয়েছে৷

  • প্রথমত, ChatGPT সবসময় সঠিক নয়। এটি কখনও কখনও এমন সামগ্রী তৈরি করে যা বাস্তবিকভাবে ভুল বা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
  • দ্বিতীয়ত, চ্যাটজিপিটি এমন কনটেন্ট তৈরি করতে পারে যা অমৌলিক এবং চুরি করা। আপনি যদি আপনার ব্লগের জন্য আর্টিকেল তৈরি করতে ChatGPT ব্যবহার করেন, তাহলে আপনি চুরির অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।

আপনি যদি আপনার ব্লগের জন্য উচ্চ-মানের সামগ্রী তৈরি করতে চান যা AdSense দ্বারা অনুমোদিত হতে পারে, তাহলে আপনার নিজে লিখতে হবে বা এটি করার জন্য আপনি একজন পেশাদার লেখক নিয়োগ করতে পারেন।

গুগল অ্যাডসেন্সের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পেজ তৈরি করা:

গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়ার পূর্বে অবশ্যই অ্যাডসেন্সের পলিসি বা নিয়ম অনুসরণ করে গুরুত্বপূর্ণ পেজগুলো তৈরি করতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ পেজ যেমন, About Us, Contact Page, Privacy Policy Page, Disclaimer Page ইত্যাদি পেজগুলো সুন্দর করে তৈরি করে নিতে হবে।

  • About Us Page – যেখানে ওয়েবসাইট সম্পর্কিত তথ্য গুলো উল্লেখ থাকবে।
  • Contact Page – যেখানে ওয়েবসাইট সংস্থার সাথে যোগাযোগ করার জন্য ফরম, ইমেইল, মোবাইল নাম্বার অথবা ব্লগ অ্যাডমিনের সাথে যোগাযোগ পন্থা ইত্যাদি উল্লেখ থাকবে।
  • Privacy Policy Page – যেখানে ওয়েবসাইটের প্রাইভেসি পলিসি এবং ওয়েবসাইটের ব্যবহার বিধি সম্পর্কিত তথ্যগুলো উল্লেখ থাকবে।
  • Terms and Conditions page – গুগল অ্যাডসেন্স – অনুমোদনের জন্য একটি নিয়ম ও শর্ত ( Terms & Conditions ) পৃষ্ঠার প্রয়োজন হয় না, তবে ওয়েবসাইটে এটি থাকা ভাল, যা আপনার ওয়েবসাইট ব্যবহার করার নিয়ম এবং নির্দেশিকার রূপরেখা দেয়। আপনি যখন AdSense-এর জন্য আবেদন করেন, Google আপনার ওয়েবসাইটটি তাদের নীতিগুলি পূরণ করে কিনা তা নিশ্চিত করতে পর্যালোচনা করে। এই নীতিগুলি আপনার ওয়েবসাইটে একটি নিয়ম ও শর্তাবলীর পৃষ্ঠা মধ্যে লেখা থাকলে তা প্রমাণ করতে পারে যে আপনি এই নীতিগুলি অনুসরণ করার ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।
  • Disclaimer Page – এই পেজে ওয়েবসাইটের Disclaimer সম্পর্কিত তথ্যগুলো উল্লেখ করতে হবে।

নিশ্চিত করুন যে আপনার বয়স ১৮+ :

Adsense নিয়ম ও শর্তাবলী স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেয় যে, তারা শুধুমাত্র ১৮ বছরের বেশি বয়সী আবেদনকারীদের কাছ থেকে আবেদন গ্রহণ করে।

আপনার বয়স ১৮ বছরের কম হলে, আপনি আপনার পিতামাতা বা অভিভাবককে জিজ্ঞাসা করতে পারেন এবং তাদের তথ্য ব্যবহার করে Adsense-এর জন্য সাইন আপ করতে পারেন।

যে সকল কারণে গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন বিলম্ব অথবা বাতিল হতে পারে:

  • পাইরেটেড বা ক্র্যাক থিম অথবা টেমপ্লেট ব্যবহার।
  • কপি করা ( Pirated Content ) আর্টিকেল পাবলিশ করার কারণে।
  • গুগল অ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করার পরে থিম বা টেমপ্লেট পরিবর্তন করার ফলে।
  • নিয়মিত কনটেন্ট আপলোড না করা।
  • পাইরেটেড ছবি ব্যবহার করার কারণে।

অ্যাডসেন্স অনুমোদনের জন্য আবেদন করার পর নিয়মিত আর্টিকেল পাবলিশ না করলে অনেক সময় অনুমোদন পাওয়া যায় না। তাই আবেদন করার পূর্বে এবং আবেদন করার পর নিয়মিত আর্টিকেল পাবলিশ করা জরুরি।

গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট অনুমোদন প্রক্রিয়া ২০২২ সম্পর্কে উপরে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। এই নিয়মনীতি মেনে কাজ করলে সহজেই Goggle Adsense থেকে অনুমোদন পাওয়া যাবে বলে আশা রাখা যায়।

AdSense সাইটের জন্য সেরা টপ-লেভেল ডোমেইন (TLD) কি?

অ্যাডসেন্স সাইটগুলির জন্য কোনও “সেরা” শীর্ষ-স্তরের ডোমেইন (Top Level Domain – TLD) নেই কারণ একটি TLD-এর কর্মক্ষমতা একটি ওয়েবসাইটের নির্দিষ্ট স্থান, দর্শক এবং বিষয়বস্তুর উপর নির্ভর করে ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হতে পারে।

AdSense সাইটের জন্য সাধারণভাবে ব্যবহৃত TLD এর মধ্যে রয়েছে .com, .org, .info এবং .net, কিন্তু শেষ পর্যন্ত একটি AdSense সাইটের জন্য সেরা TLD নির্ভর করবে এর দর্শক, বিষয়বস্তু এবং সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান (SEO) কৌশলের মতো বিষয়গুলির উপর।

এছাড়া .bd.us.uk বা .de এর মতো দেশ-নির্দিষ্ট TLDs কার্যকর হতে পারে,  যদি আপনি একটি নির্দিষ্ট ভৌগলিক অঞ্চলকে লক্ষ্য করে থাকেন। শেষ পর্যন্ত, আপনার AdSense সাইটের জন্য সেরা TLD আপনার নির্দিষ্ট চাহিদা এবং লক্ষ্যের উপর নির্ভর করবে।

বাংলাদেশে অ্যাডসেন্স অনুমোদনের জন্য ভাল বিষয় (Niche) কি?

বাংলাদেশে অ্যাডসেন্স দ্বারা অনুমোদিত অনেক বিষয় (Niche) রয়েছে। কিছু জনপ্রিয় বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে:

  • প্রযুক্তি
  • ব্যবসা
  • স্বাস্থ্য এবং সুস্থতা
  • ভ্রমণ
  • খাবার এবং রান্না
  • ফ্যাশন
  • বাড়ি এবং বাগান
  • শিক্ষা
  • বিনোদন
  • খেলাধুলা

এগুলি অ্যাডসেন্স দ্বারা অনুমোদিত বহু বিষয়গুলোর মধ্যে কয়েকটি মাত্র। আপনি যদি একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট শুরু করতে চান, তাহলে জনপ্রিয় এবং আপনি আগ্রহী এমন একটি বিষয় বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

এর ফলে আপনি উচ্চ-মানের কনটেন্ট তৈরি করতে পারবেন যা দর্শকদের আকর্ষণ করবে, আপনার ওয়েব সাইটের ভিসিটর বাড়বে এবং AdSense এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে সহজ হবে।

গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন পেতে কত সময় লাগে?

AdSense এর অনুমোদনের সময় পরিবর্তিত হতে পারে। সাধারণত ৪৮-৭২ ঘন্টার মধ্যে গৃহীত হতে পারে অথবা এটি ১-২ সপ্তাহ পর্যন্ত সময় নিতে পারে।

আশা করি এই পোস্টের মাধ্যমে আপনারা গুগল অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট অনুমোদন প্রক্রিয়া ২০২২ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন। একটু চেষ্টা করলেই নিজেই গুগল অ্যাডসেন্স – এর অনুমতি পেয়ে যাবেন। একটু ধৈর্য ধরুন, সঠিক কীওয়ার্ড বসানো সহ ৫০০-৮০০ শব্দ পর্যন্ত ১৫-২০টি ভাল আর্টিকেল লিখুন। সাইটে গুরুত্বপূর্ণ পৃষ্ঠাগুলি যোগ করুন।

সবশেষে, আবেদন করার আগে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট অ্যাডসেন্স নীতি মেনে চলছে কিনা তা নিশ্চিত করা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

গুগল অ্যাডসেন্স থেকে কত টাকা আয় করা যায় ?

গুগল অ্যাডসেন্স থেকে উপার্জিত অর্থের পরিমাণ বিভিন্ন কারণের উপর নির্ভর করে যেমন ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তু, দর্শকদের অবস্থান, সাইটে ব্যয় করা সময় এবং দর্শকদের দ্বারা ব্যবহৃত ডিভাইস

তবে, বিভিন্ন তথ্য থেকে জানা যায় যে, গড়ে, ব্লগ প্রতি ১০০০ পৃষ্ঠা দর্শনে $২ থেকে $৫ উপার্জন করা যায়।

একটি অনুমান পেতে, আপনি AdSense সাইটে আয়ের ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে পারেন যা সাইটের বিষয়বস্তুর বিভাগের উপর ভিত্তি করে সম্ভাব্য আয় গণনা করে How much will you earn with AdSense?

AdSense – এর টাকা কয় দিন পর পাওয়া যায়?

AdSense পেমেন্ট মাসিক ভিত্তিতে দেয়া হয়। আপনি এক মাসের মধ্যে আনুমানিক যে আয় করবেন সেটা তার পরবর্তী মাসের শুরুতে চূড়ান্ত হয় এবং আপনার অর্থপ্রদান পৃষ্ঠায় আপনার ব্যালেন্সে পোস্ট করা হয়। সাধারণত ১০০ ডলার হলে সেটা প্রদর্শন করা হয়.

যদি আপনার কোনো পেমেন্ট কোন কারণে হোল্ড না থাকে, তাহলে আপনাকে মাসের ২১-২২ তারিখের মধ্যে ইমেইলে জানানো হবে এবং সেই টাকা ২৬ তারিখের মধ্যে আপনার দেয়া পেমেন্ট গেটওয়ের মাধ্যমে প্রদান করা হবে।

মনে রাখবেন যে আপনি আপনার অর্থপ্রদানের সঠিক সময়টি আপনার টাইমজোনের উপর নির্ভর করবে।

এ্যাডসেন্স – এর পেমেন্ট না পেলে কি করবেন?

Google অ্যাডসেন্স – এর টাকা প্রদান করার কনফার্মেশন ইমেইল প্রতিমাসের ২১-২২ তারিখের মধ্যে চলে আসে। এরপর ২৬ তারিখের মধ্যে টাকা উত্তোলন করা যায়. যদি আপনার দেয়া পেমেন্ট গেটওয়েতে টাকা না আসে তাহলে,

১. আপনি যদি আপনার AdSense পেমেন্ট না পেয়ে থাকেন, তাহলে সমস্যাটির সমাধান করার জন্য আপনি কিছু পদক্ষেপ নিতে পারেন:

২. আপনার পেমেন্ট পাঠানো হয়েছে তা নিশ্চিত করতে আপনার AdSense অ্যাকাউন্ট চেক করুন। আপনার AdSense অ্যাকাউন্টের “পেমেন্ট” ট্যাবের অধীনে অর্থপ্রদানের অবস্থা এবং তারিখ দেখুন।

৩. নিশ্চিত করুন যে আপনার পেমেন্টের বিবরণ সঠিক। নিশ্চিত করুন যে আপনার পেমেন্ট ঠিকানা এবং ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য সঠিক এবং আপ টু ডেট।

৪. তারা পেমেন্ট পেয়েছে কিনা তা দেখতে আপনার ব্যাঙ্কের সাথে যোগাযোগ করুন। Google AdSense – এর টাকা সাধারণত রেমিট‌্যান্স বা বৈদেশিক মুদ্রা হিসেবে ব্যাংকের Foreign Exchange – এর বিভাগের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। কখনও কখনও ব্যাঙ্কের প্রক্রিয়াকরণের সময়ের কারণে পেমেন্ট বিলম্বিত হতে পারে।

৫. এ ছাড়া সহায়তার জন্য AdSense সাথে যোগাযোগ করতে পারেন । আপনি তাদের সহায়তা কেন্দ্রের মাধ্যমে বা AdSense ফোরামের মাধ্যমে AdSense সহায়তার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। সহায়তার সাথে যোগাযোগ করার সময় আপনার পেমেন্ট আইডি এবং তারিখের মতো প্রাসঙ্গিক তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে ভুলবেন না।

ভবিষ্যতে অর্থ পাওয়ার ক্ষেত্র হিসেবে সরাসরি আমানত সেট আপ বিবেচনা করুন. সরাসরি আমানত আপনার পেমেন্ট আরও দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্যভাবে পাওয়া নিশ্চিত করতে সাহায্য করতে পারে।

আপনি যদি উপরের সমস্ত পদক্ষেপগুলি চেষ্টা করে থাকেন এবং এখনও আপনার অর্থপ্রদান না পেয়ে থাকেন তবে আপনাকে আরও সহায়তার জন্য AdSense সহায়তার সাথে যোগাযোগ করতে হতে পারে৷

মনে রাখতে হবে, Google ইমেল সবসময় একটি অফিসিয়াল Google ইমেল থেকে আসবে। উদাহরণস্বরূপ, account-compliance@google.com।

কিন্তু এটি কখনো paymentsgoogle@gmail.com – এর মতো কোনো ইমেল ঠিকানা থেকে আসবে না।

Google এর Adsense Wire Transfer Troubleshooter

এছাড়াও Google AdSense ওয়্যার ট্রান্সফার ট্রাবলশুটার একটি টুল যা প্রকাশকদের তাদের AdSense অ্যাকাউন্ট থেকে ওয়্যার ট্রান্সফারের মাধ্যমে অর্থপ্রদান করার সময় যেকোনো সমস্যার সমাধান করতে সাহায্য করে।

ওয়্যার ট্রান্সফার ট্রাবলশুটার অ্যাক্সেস করার সময়, প্রকাশকদের সাধারণ সমস্যার তালিকা থেকে নির্দিষ্ট সমস্যা নির্বাচন করতে বলা হবে, যেমন অর্থপ্রদানে বিলম্ব, ভুল অর্থপ্রদানের তথ্য বা তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সমস্যা। একবার সমস্যাটি চিহ্নিত হয়ে গেলে, সমস্যা সমাধানকারী ধাপে ধাপে নির্দেশনা প্রদান করবে কিভাবে সমস্যাটি সমাধান করা যায় এবং সফলভাবে অর্থপ্রদান গ্রহণ করা যায়।

এটা মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ যে ওয়্যার ট্রান্সফার পেমেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করার জন্য, প্রকাশকদের অবশ্যই Google AdSense দ্বারা সেট করা কিছু যোগ্যতার প্রয়োজনীয়তা পূরণ করতে হবে, যার মধ্যে একটি বৈধ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকা যা ওয়্যার ট্রান্সফার গ্রহণ করে এবং একটি ন্যূনতম পেমেন্ট থ্রেশহোল্ড পূরণ করে।

ট্রাবলশুটার ব্যবহার করার পরেও যদি প্রকাশকরা তাদের ওয়্যার ট্রান্সফার পেমেন্ট পদ্ধতিতে সমস্যার সম্মুখীন হন, তাহলে তারা আরও সহায়তার জন্য AdSense সহায়তার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

Google AdSense কি বাতিল বা স্থগিত হতে পারে?

যদি আপনার ওয়েবসাইটে এমন বিষয়বস্তু থাকে যা Google AdSense নীতিমালার বহিৰ্ভূত, তাহলে Google AdSense বাতিল বা স্থগিত হতে পারে। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সমস্যাটির সমাধান করার জন্য আপনাকে পদক্ষেপ নিতে হবে। এখানে কিছু পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে যা আপনি মেনে চলতে পারেন:

  • সমস্যাযুক্ত বিষয়বস্তু শনাক্ত করুন: আপনার ওয়েবসাইটে যান এবং AdSense নীতির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এমন বিষয়বস্তু চিহ্নিত করুন। Google আপনাকে তাদের নীতিগুলির একটি তালিকা প্রদান করেছে, সেগুলি সাবধানে পর্যালোচনা করে মেনে চলার চেষ্টা করুন।
  • বিষয়বস্তুটি সরান বা সংশোধন করুন: আপনার ওয়েবসাইটের সমস্যাযুক্ত বিষয়বস্তু শনাক্ত করার পরে আপনি হয় এটিকে সরাতে পারেন বা সংশোধন করতে পারেন যাতে এটি AdSense নীতি মেনে চলে। উদাহরণস্বরূপ, আপনার যদি এমন সামগ্রী থাকে যা বেআইনি কার্যকলাপের প্রচার করে বা প্রাপ্তবয়স্কদের সামগ্রী থাকে, তাহলে আপনার ওয়েবসাইট থেকে সেটি সরিয়ে ফেলা উচিত।
  • Google-এর কাছে একটি আবেদন জমা দিন: যদি নীতি লঙ্ঘনের কারণে আপনার ওয়েবসাইট অ্যাডসেন্স থেকে স্থগিত বা নিষিদ্ধ করা হয়, তাহলে আপনি Google-এর কাছে একটি আবেদন জমা দিতে পারেন। আপনার আপীলে, আপনাকে ব্যাখ্যা করা উচিত যে আপনি কীভাবে নীতি লঙ্ঘনের সমাধান করেছেন এবং আপনার দাবির সমর্থনে প্রমাণ প্রদান করবেন। Google আপনার আবেদন পর্যালোচনা করবে এবং আপনার AdSense অ্যাকাউন্ট পুনঃস্থাপন করবে কিনা তা নির্ধারণ করবে।
  • ভবিষ্যতে নীতি লঙ্ঘন প্রতিরোধ করুন: ভবিষ্যতে নীতি লঙ্ঘন প্রতিরোধ করতে নিয়মিত AdSense নীতিগুলি পর্যালোচনা করতে ভুলবেন না এবং নিশ্চিত করুন যে আপনার ওয়েবসাইটে যোগ করা সমস্ত নতুন বিষয়বস্তু AdSense নীতি মেনে চলছে৷

সামগ্রিকভাবে, AdSense নীতিগুলিকে গুরুত্ব সহকারে নেওয়া এবং আপনার ওয়েবসাইট সেগুলি মেনে চলছে তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ৷ এটি করার মাধ্যমে, আপনি আপনার AdSense অ্যাকাউন্টের সাসপেনশন এড়াতে পারেন এবং এর ফলে আপনি আপনার ওয়েবসাইট থেকে উপার্জন অব্যাহত রাখতে পারবেন।

Adsense কি Payment হোল্ড করতে পারে?

অবশ্যই করতে পারে।

এমন কিছু কারণ রয়েছে যার কারণে এডসেন্স টাকা আটকে রাখে। যেমন: এখানে সবচেয়ে সাধারণ কিছু কারণ রয়েছে:

আপনার পরিচয় যাচাই করেননি। প্রকাশক এবং Google উভয়কে সুরক্ষিত রাখার জন্য Google-এর সকল অ্যাডসেন্স প্রকাশকদের তাদের পরিচয় যাচাই করতে হবে। আপনি Google-এ আপনার সরকারের ইস্যু করা আইডির একটি কপি জমা দিয়ে আপনার পরিচয় যাচাই করতে পারেন।

এমন হতে পারে আপনার ঠিকানা যাচাই করেননি। এ ক্ষেত্রে টাকা পাঠানোর জন্য Google AdSense সমস্ত প্রকাশকদের ঠিকানা যাচাই করে। আপনি আপনার প্রকৃত ঠিকানা লিখে এবং মেইলে একটি পিন পেয়ে আপনার ঠিকানা যাচাই করতে পারেন।

হয়তবা টাকা প্রদানের একটি ফর্ম ভালভাবে পূরণ করেননি৷ পেমেন্ট পাওয়ার জন্য Google-এর সকল অ্যাডসেন্স প্রকাশকদের অর্থপ্রদানের একটি সেট আপ পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। আপনি আপনার AdSense অ্যাকাউন্টে আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের তথ্য বা টাকা রিসিভ করার সঠিক তথ্য প্রবেশ করে অর্থপ্রদানের একটি ফর্ম সেট আপ করতে হবে৷

শর্তাবলী লঙ্ঘনের কারণে পেমেন্ট হোল্ড আছে. আপনি যদি AdSense পরিষেবার শর্তাবলী লঙ্ঘন করে থাকেন তাহলে আপনার পেমেন্ট হোল্ড করা হতে পারে। আপনার যদি পেমেন্ট হোল্ড থাকে, তাহলে কীভাবে তা সরানো যায় তা জানতে আপনাকে Google-এর সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

আপনি যদি নিশ্চিত না হন যে কেন আপনার AdSense পেমেন্ট আটকে আছে, আপনি সহায়তার জন্য Google সহায়তার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

অ্যাডসেন্স নিষ্ক্রিয় হওয়ার পর কি একই ডোমেইনে থেকে আবার অ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়া যাবে?

হ্যাঁ, আপনি আবার অনুমোদন পেতে পারেন।

এটি অ্যাডসেন্স নিষ্ক্রিয় করার প্রাথমিক কারণের উপর নির্ভর করে আপনি পূনরায় একই ডোমেইন থেকে  অ্যাডসেন্স অনুমোদন পেতে পারেন কিনা।

যদি নিষ্ক্রিয় (Disable) করার কারণটি ছোট হয়:

  • পুনরায় আবেদন করার জন্য অ্যাডসেন্স নিষ্ক্রিয় করার কারণটির সমাধান করুন এবং নিশ্চিত করুন যে আপনার সাইট অ্যাডসেন্সের বর্তমান প্রোগ্রাম নীতিগুলি মেনে চলছে, তাহলে আপনি আবার অনুমোদনের জন্য আবেদন করতে পারেন।
  • নিষ্ক্রিয় হওয়ার অন্তত ৩০ দিন অপেক্ষা করার পরে আবার আবেদন করার জন্য Google সুপারিশ করে।

ছোটখাটো সমস্যাগুলির উদাহরণ:

  • অ্যাডসেন্স নীতি লঙ্ঘন, যেমন অবৈধ ক্লিক বা ইমপ্রেশন কার্যকলাপ।
  • যথেষ্ট পরিমাণে কন্টেন্ট বা কম ট্রাফিকের অভাব।
  • অ্যাডসেন্স কোড বাস্তবায়নের সাথে সম্পর্কিত প্রযুক্তিগত সমস্যা।

যদি নিষ্ক্রিয় করার কারণটি গুরুতর হয়:

আবার অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনা নাও থাকতে পারে, যদি Google তাদের নীতির লঙ্ঘনকে গুরুতর হিসেবে গ্রহণ করে, এবং যদি এই কারণে আপনার অ্যাকাউন্ট এবং ডোমেনকে অ্যাডসেন্স থেকে স্থায়ীভাবে নিষ্ক্রিয় করে।

গুরুতর সমস্যাগুলির উদাহরণ:

  • অ্যাডসেন্স নীতির বারবার লঙ্ঘন করা।
  • নিষিদ্ধ কন্টেন্ট হোস্ট করা, যেমন ঘৃণা, ভাষণ বা অবৈধ উপাদান।
  • ক্লিক জালিয়াতি বা অন্যান্য প্রতারণামূলক কার্যকলাপে জড়িত।

পুনরায় অ্যাডসেন্স অনুমোদন পেতে আপনি যে পদক্ষেপগুলি নিতে পারেন তা হল:

  • নিষ্ক্রিয় করার কারণটি সনাক্ত করুন। আপনার নিষ্ক্রিয়করণ সম্পর্কে Google থেকে আপনি যে ইমেল পেয়েছেন তা সাবধানে পর্যালোচনা করুন।
  • সমস্যাটির সমাধান করুন। যে কোনো সমস্যা যা নিষ্ক্রিয়করণের দিকে পরিচালিত করেছে তা ঠিক করুন এবং নিশ্চিত করুন যে আপনার সাইট অ্যাডসেন্স নীতি অনুসরণ করছে।
  • আপনার ওয়েবসাইট উন্নত করুন। নিশ্চিত করুন যে আপনার ওয়েবসাইটে যথেষ্ট পরিমাণে উচ্চমানের কন্টেন্ট রয়েছে যা অর্গানিক ট্র্যাফিক আকর্ষণ করে।
  • অ্যাডসেন্স নির্দেশিকা অনুসরণ করুন। অ্যাডসেন্সের সর্বশেষ প্রোগ্রাম নীতি সম্পর্কে জানুন এবং নিশ্চিত করুন যে, আপনার ওয়েবসাইট সেগুলি মেনে চলে।

11 COMMENTS

  1. […] গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন পেতে আপনার ব্লগ সাইটে ফ্রি (বিনামূল্যে) ফটো ব্যবহার করা কোন সমস্যা নয়। আপনি আপনার ব্লগ সাইটে এই ধরনের ছবি ব্যবহার করতে পারেন তার উপর গুগল অ্যাডসেন্সের কোনো বিধিনিষেধ নেই। যাইহোক, বিনামূল্যের ছবি ব্যবহার করার সময় আপনার কিছু জিনিস মনে রাখা উচিত: […]

  2. […] গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন পেতে আপনার ব্লগ সাইটে ফ্রি (বিনামূল্যে) ফটো ব্যবহার করা কোন সমস্যা নয়। আপনি আপনার ব্লগ সাইটে এই ধরনের ছবি ব্যবহার করতে পারেন তার উপর গুগল অ্যাডসেন্সের কোনো বিধিনিষেধ নেই। যাইহোক, বিনামূল্যের ছবি ব্যবহার করার সময় আপনার কিছু জিনিস মনে রাখা উচিত: […]

  3. […] উপল্লেখিত বিষয়গুলো মেনে চলে ওয়েবসাইট AdSense-এর জন্য যোগ্য কিনা তা পরীক্ষা করতে পারেন। আপনার ওয়েবসাইট প্রয়োজনীয়তা পূরণ করে কিনা এবং এটি AdSense-এর জন্য অনুমোদিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে কিনা তা AdSense-এর এই টুলটি আপনাকে জানাবে। […]

  4. […] চ্যাটজিপিটি (ChatGPT) – দিয়ে লেখা কনটেন্ট AdSense অনুমোদনের জন্য যোগ্য নয়। মেশিন জেনারেটেড কন্টেন্ট ব্যবহার […]

  5. […] গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন পেতে আপনার ব্লগ সাইটে ফ্রি (বিনামূল্যে) ফটো ব্যবহার করা কোন সমস্যা নয়। আপনি আপনার ব্লগ সাইটে বিভিন্ন ধরনের ছবি ব্যবহার করতে পারেন, তার উপর গুগল অ্যাডসেন্সের কোনো বিধিনিষেধ নেই। যাইহোক, বিনামূল্যের ছবি ব্যবহার করার সময় আপনার কিছু জিনিস মনে রাখা উচিত: […]

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here