সহজেই ঘুরে আসুন থাইল্যান্ড

1
330
Thailand tour

বাংলাদেশ থেকে প্রতিদিন প্রচুর পরিমান মানুষ থাইল্যান্ড ভ্রমনে যান। ব্যবসা, চিকিৎসা ও ভ্রমণের জন্য বাংলাদেশিদের কাছে থাইল্যান্ড একটি আকর্ষণীয় দেশ (ค่าใช้จ่ายต่ำในประเทศไทย)। থাইল্যান্ডের দক্ষিনে মালেশিয়া, পশ্চিম-উত্তরে মায়ানমার, উত্তর-পুর্ব দিকে লাউস এবং দক্ষিন-পশ্চিমে কম্বোডিয়া।

আরো পড়ুন:

থাইল্যান্ডের ভিসা কিভাবে পাবেন (จะขอวีซ่าประเทศไทยได้อย่างไร) ?
থাইল্যান্ডে যাওয়ার জন্য প্রথমে আপনাকে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে রয়্যাল থাই এমব্যাসিতে । সাধারণত তারা ৩ মাসের জন্য সিঙ্গেল এন্ট্রি ভিসা দেয় । তবে প্রয়োজন বশত তারা ৬ মাস বা ১ বছরের ভিসা দিয়ে থাকে ।

ভিসা আবেদনের জন্য যা যা লাগবেঃ

** কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ আছে এরকম পাসপোর্ট এবং পাসপোর্টের ফটোকপিও লাগবে
** সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড এর ৩.৫ X ৪.৫ সে মি এর ২ কপি ছবি
** ব্যাংক সল্ভেন্সী সার্টিফিকে্মেন্ট
** ৬ মাস এর ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর কপি ব্যাংকের সীল ও অফিসারের স্বাক্ষর করা)
** চাকুরীজীবীর ক্ষেত্রে এন ও সি সার্টিফিকেট ও অফিসিয়াল ভিজিটিং কার্ড
** ব্যবসায়ীর ক্ষেত্রে নোটারী করা ট্রেড লাইসেন্স এর ফটোকপি এবং অংশীদার হলে মেমোরেন্ডাম এর ফটোকপি
** থাই এমব্যাসি এর ভিসা ফি ও ট্যাক্স সর্বমোট ৩৪১১ টাকা । তবে মিডিয়া এর মাধ্যমে করলে ৪০০০ – ৫০০০ টাকা নেয় ।

ভিসার আবেদন জমা দেবার স্থানঃ

রোড#১৩৮, স্টার সেন্টার(২য় তলা)প্লট# ২/এ, ব্লক-এসই-সি, গুলশান-১, ঢাকা।

থাই দুতাবাসের ঠিকানাঃ ১৮-২০ মাদানী রোড, বারিধারা, ঢাকা-১২১২ ফোনঃ ৮৮১২৭৯৫-৬, ৮৮১৩২৬০-১, ফ্যাক্সঃ-৮৮৫৪২৮০/৮৮৫৩৯৯৮

থাইল্যান্ডে বাংলাদেশ দুতাবাসের ঠিকানাঃ  বাড়ি# ৭২৭, থংগলোর, সই-৫৫, সুলতুম্ভিট রোড, ব্যাংকক-১০১১০, থাইল্যান্ড। ফোনঃ- ৩৯২৯৩৭-৮, ফ্যাক্সঃ-৩৯১৮০৭০

যেভাবে যাবেন ?

বাংলাদেশ বিমান সহ রিজেন্ট, ইউনাইটেড এবং ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্স দিয়ে থাইল্যান্ডে যেতে পারবেন । এছাড়া ও থাই এয়ার, ব্যাংকক এয়ার, মালেশিয়া এয়ার, চায়না ইস্টার্ণ, জেট এয়ার ও ইন্ডিয়া এয়ার ও আপনি যেতে পারেন।

পর্যটন মেলা, ঈদ, বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন এয়ারলাইন্স গুলো ভিসা ফি, ফ্রি বুকিং, টিকিটে ছাড়সহ আকর্ষণীয় প্যাকেজ দিয়ে থাকে। সেদিকে খেয়াল রাখতে পারেন ।

ঢাকা টু থাইল্যান্ড বিমান ভাড়া:
( Dhaka to Dhaka Ticket Price – ราคาตั๋วเครื่องบินธากาไปไทย )  

প্রথমত থাইল্যান্ডের টিকেট খরচ নির্ভর করে আপনি কোন বিমানে করে যেতে চান । বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স থেকে শুরু করে বিদেশী অনেক এয়ারলাইন্স রয়েছে । ১৪,০০০ টাকা থেকে শুরু করে ২০,০০০ টাকার উপরে টিকেটর দাম রয়েছে ।

সবচেয়ে ভালো হবে আপনার বাজেটের উপর নির্ভর করে এয়ারলাইন্স সিলেক্ট করুন এবং বিভিন্ন অফারের দিকে খেয়াল রাখুন । তবে ২-৩ মাস আগে টিকেট কেটে রাখলে দাম কিছুটা কম পাওয়া যায় ।

থাইল্যান্ডে হোটেল ভাড়া:

থাইল্যান্ডে বিভিন্ন মানের হোটেল পাওয়া যায়। ১০০০ টাকায়ও হোটেল পাওয়া যায় । তবে সবচেয়ে ভালো হবে, আপনার পরিচিত কেও ভ্রমণ করে আসলে তার কাছে হোটেল ভাড়া সম্পর্কে জেনে নিতে পারেন ।

এছাড়াও অনলাইনে বিভিন্ন হোটেল বুকিং এজেন্সী রয়েছে । তাদের ওয়েবসাইটে হোটেল ভাড়া জানতে পারবেন এবং বাংলাদেশের অনেক পর্যটন প্রতিষ্ঠানগুলো ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য অল্প খরচে রিসোর্ট-হোটেল ভাড়া করে দেওয়ার ব্যবস্থা করে থাকে ।

থাইল্যান্ডের দর্শনীয় স্থানঃ

থাইল্যান্ডে আসলে দেখার মত অনেক জায়গা আছে । সে জন্য হাতে একটু লম্বা সময় নিয়ে যাওয়া ভাল । কারণ সেখানে আপনি যা দেখবেন তাই ভাল লাগবে। তারপর ও কিছু উল্লেখযোগ্য যা না দেখলে নয়ঃ-

  • ফাতায়া বীচ,
  • ওয়াকিং স্ট্রীট এ রাতের পার্টি ও বিভিন্ন ধরনের শো (বিশেষ করে সমুদ্রের লেজার শো)
  • কোরাল আইসল্যান্ড,
  • ফ্লোটিং মার্কেট,
  • টাইগার ট্যাম্পল,
  • সাফারী পার্ক, পুকেট,
  • চিয়াং মাই ,
  • চেং রাই,
  • ব্যাংকক এর শপিং মল (MVK shopping Mall, Platinum 1 & 2,   indira Centre)
  • পাতায়া

Comments are closed.