মুখের ব্রণের পাশাপাশি অনেকেই আবার পিঠের ব্রণ নিয়েও বেশ দুশ্চিন্তাগ্রস্থ। এতে করে পিঠ ঠোট ঠোট দাগে ভরে যায়। যা অনেকটাই লজ্জার বিষয়। তবে একটু সচেতন হলে এ ব্রণ খুব সহজেই দূর করা যেতে পারে।

পিঠের ব্রণ দূর করার কিছু ঘরোয়া উপায়-

১. মধু ও দারুচিনি:

মধু ও দারুচিনি উভয়ের মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী উপাদান। এটি ত্বককে ফ্রি রেডিকেল থেকে সুরক্ষা দেয় এবং ত্বকের প্রদাহ ও জ্বালাপোড়া কমায়। এজন্য চার চা চামচ মধু ও দুই চা চামচ দারুচিনি গুঁড়া মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে মিশ্রণটি মাখুন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট রাখুন। শুকানোর পর ধুয়ে ফেলুন। যত দিন না পর্যন্ত ব্রণ কমছে তত দিন পর্যন্ত প্যাকটি ব্যবহার করুন।

২. বেকিং সোডা:

তিন চা চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে এক চা চামচ পানি মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। এবার এটি পিঠে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত দুদিন এই প্যাক ব্যবহার করুন। অথবা দুই টেবিল চামচ বেকিং সোডার সঙ্গে এক টেবিল চামচ লেবুর রস, এক চা চামচ দারুচিনির গুঁড়ো ও পাঁচ টেবিল চামচ মধু একসঙ্গে মিশিয়ে পিঠের ব্রণের ওপর লাগান। এতে অনেক দ্রুত ব্রণ দূর হবে।

৩. লেবুর রস:

লেবুর মধ্যে রয়েছে প্রাকৃতিক এসট্রিজেন্ট। লেবু ত্বকের লোমকূপকে বন্ধ করে দিয়ে সিবাম উৎপাদন কমিয়ে দেয়। এতে ব্রণ কমে। এছাড়া অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান থাকার কারণে এটি ব্রণ দূর করতে সাহায্য করে। লেবুর রস তুলায় নিয়ে আক্রান্ত স্থানে মাখুন। ৩০ মিনিট এভাবে রেখে দিন। এবার ধুয়ে ফেলুন। একদিন পরপর এই পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

৪. টক দই:

টক দই ভাল করে ফেটিয়ে পিঠে লাগান। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। টক দইয়ে প্রচুর পরিমাণে প্রোবায়োটিক থাকে, যা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল।

৫. গ্রিন টি:

গ্রিন টি ছেঁকে ঠাণ্ড করে, তুলোর সাহায্যে ব্রণের মধ্যে লাগালে উপকার পাবেন। কারণ গ্রিন টিতে পলিফেলন থাকায়, এটি ব্রণ প্রতিরোধে সাহায্য করে।

৬. ভিটামিন ই অয়েল:

বাজারে ভিটামিন ই অয়েলের ক্যাপসুল কিনতে পাওয়া যায়। এই তেল পিঠে লাগিয়ে সারা রাত রেখে দিন। সকালে গোসল করে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত একবার এই তেল পিঠে লাগান।

৭. কমলার খোসা:

কমলার খোসার সঙ্গে পানি মিশিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করুন। এবার পিঠে লাগিয়ে শুকিয়ে গেলে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিনই এই প্যাক ব্যবহার করতে পারেন।