বিসিএলে দল পাননি সাব্বির-মেহেদি রানারা

0
59

তুষার ইমরান কল্পনাও করেননি বিসিএলে দল পাবেন না। খেলার দাবি নিয়ে পারলে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে অনশন করতেন তিনি। তুষার দল না পাওয়ায় সহানুভূতি জানাচ্ছেন অন্য ক্রিকেটাররা। তিনি ১২ হাজার রান থেকে ২৯৪ রান দূরে আছেন। মার্শাল আইয়ুবের মতো অনেকের দৃষ্টিতে তুষারের ১২ হাজার রান হবে তরুণদের জন্য দৃষ্টান্ত। সেজন্য হলেও তার এনসিএল, বিসিএলে ছাড় পাওয়া উচিত।

বিপ টেস্টে ৯.৫ স্কোর করায় প্লেয়ার্স ড্রাফটে রাখা হয়নি তাকে। তবে জাতীয় দলের সাবেক বাঁহাতি স্পিনার আব্দুর রাজ্জাক ১০.১ স্কোর করেও বিশেষ ছাড় পেয়ে খেলছেন বিসিএল। বিসিবি দক্ষিণাঞ্চলের রিটেইন প্লেয়ার তিনি।

২০১৯ জাতীয় লিগ মৌসুমে ভালো করেও বিপ টেস্টে ফেল করে অনেকেই বিসিএলে খেলতে পারছেন না। মার্শাল আইয়ুব, নাদিফ চৌধুরী, ফরহাত হোসেন ফেল করা তালিকায়। অফস্পিনার সোহাগ গাজী পরীক্ষাই দেননি। আবার বিপ টেস্টে পাস করেও সোমবারের প্লেয়ার্স ড্রাফটে দল পাননি পেসার মোহাম্মদ শহীদ, আবু হায়দার রনি, অলক কাপালী, মেহেদি হাসান রানা এবং সাব্বির রহমানরা।

হঠাৎ করে অবশ্য বিপ টেস্ট দেওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলেন না ক্রিকেটাররা। খেলোয়াড়রা প্রস্তুত হচ্ছিলেন মূলত ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের জন্য, যেখানে বিপ টেস্টের নিয়ম চালু করা হয়নি। ফিটনেস নিয়ে সতর্ক না থাকায় অনেককেই রেস থেকে তাই ছিটকে যেতে হলো। দেশের ক্রিকেটারদের জন্য এটা একটা বার্তাও বটে। ফিটনেসের ব্যাপারে বিসিবির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছে ফ্র্যাঞ্চাইজিরা। মূল পারফরমারদের দলে পাওয়ায় চার দলের কোচিং স্টাফও খুশি।

জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের ম্যাচ প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ৩১ জানুয়ারি শুরু হচ্ছে ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক এই প্রথম শ্রেণির লিগ। জাতীয় লিগের মতো বিসিএলেও ম্যাচ ফি বেড়েছে। ৫০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৬৫ হাজার করা হয়েছে। প্রথম ১২ জনকে পুরো ম্যাচ ফি দেওয়া হয়। ১৫ জনের স্কোয়াডের বাকি তিনজনকে দেওয়া হয় ম্যাচ ফির অর্ধেক। দৈনিক হাত খরচও পাঁচশ’ টাকা বাড়িয়ে আড়াই হাজার টাকায় উন্নীত করা হয়েছে।