মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস করতে এবং একই সঙ্গে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের মজুত ও বিক্রি বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন বাস্তবায়নের অগ্রগতি জানিয়ে স্বাস্থ সচিব এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলেছে আদালত।

এ ছাড়াও ৯৩ শতাংশ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংক্রান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৬ জুলাই পরবর্তী আদেশের জন্য আদালত দিন রেখেছেন।

এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আজ মঙ্গলবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এই আদেশ দেন। রিটের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন আইনজীবী এবিএম আলতাফ হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।