SHARE
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওয়েব সাইট থেকে সংগৃহীত

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে বহুল প্রতিক্ষিত মেট্রোরেল প্রকল্প দৃশ্যমান হবে। বুধবার উত্তরার দিয়াবাড়ীতে মেট্রোরেল প্রকল্পের ‘লোড টেস্টিং’ কাজ দেখতে গিয়ে ওবায়দুল কাদের এই আশার কথা বলেন।

তিনি বলেন, মেট্রোরেল যেভাবে শুরু হয়েছে, মাঝখানে হলি আর্টিজান ট্রাজেডির কারণে কাজ বন্ধের উপক্রম হয়েছিল। কাজের কিছুটা ধীরগতি ছিল। তবে বর্তমানে ১০-১২% কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ছয় মাসের মধ্যে জনগণের কাছে পদ্মা সেতুর মতো মেট্রোরেল প্রকল্পও দৃশ্যমান  হবে।

“জাপানি কনসালটেন্টদের মর্মান্তিক মৃত্যু এ কাজ মাস ছয়েক পিছিয়ে দিয়েছে। মেট্রোরেল অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। এই প্রকল্পটি আবার গতি পেয়েছে। জাইকার ফান্ডিংও বন্ধ হয়নি। যে কোম্পানিগুলোর কাজ করার কথা, তারা কাজ করছে। এখন ফুল সুইংয়ে কাজ চলছে।”

জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা-জাইকার অর্থায়নে ২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্পে জাইকা সহায়তা দিচ্ছে ১৬ হাজার ৬০০ কোটি টাকা।

মন্ত্রী আরও বলেন, পিলারের ওপর স্প্যান বসানোর পর পদ্মাসেতু যেভাবে দৃশ্যমান মেট্রোরেলও আগামী ছয় মাসের মধ্যে একইভাবে দৃশ্যমান হবে। ২০১৯ সালে প্রথম পর্যায়ে আগরগাঁও পর্যন্ত এরপর ২০২০ সালে মতিঝিল বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত শেষ হবে। এমআরটি লাইন-৬ হওয়ার পর এআরটি-১ এবং এমআরটি-৫ এর কাজ শুরু হবে।

উল্লেখ্য উত্তরা তৃতীয় পর্যায় থেকে মিরপুর, ফার্মগেইট. শাহবাগ হয়ে মতিঝিলি শাপলা চত্বর পর্যন্ত মেট্রোরেলের ৬ নম্বর  এই  রুটে থাকবে ১৬টি স্টেশন। প্রতি ঘণ্টায় উভয়দিকে ৬০ হাজার যাত্রী মেট্রোরেলে চড়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন।