১২ জনপ্রতিনিধিকে সাময়িক বরখাস্ত

0
53
bangladesh-government

করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট সঙ্কট মোকাবেলায় সরকার কর্তৃক ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগে আরও ১২ জন জনপ্রতিনিধিকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়। তাদের মধ্যে ৩ জন ইউপি চেয়ারম্যান ও ৯ জন ইউপি সদস্য রয়েছেন।

রোববার (১৯ এপ্রিল) এলজিআরডি মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত পৃথক পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

এর আগে ১২ এপ্রিল (রোববার) ৩ জন ও ১৫ এপ্রিল (বুধবার) ৯ জন ইউপি চেয়ারম্যান ও সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। এই নিয়ে মোট ২৪ জন জনপ্রতিনিধিকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

একই সাথে নোটিশে কেন তাদের চূড়ান্তভাবে তাদের পদ থেকে অপসারণ করা হবে না তার জবাব পত্র প্রাপ্তির ১০ কার্যদিবসের মধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগে পাঠাতে বলা হয়েছে।

সাময়িক বরখাস্তকৃত চেয়ারম্যানরা হলেন— কিশোরগঞ্জ জেলার করিমগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মখদুম কবীর তন্ময়, নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার অর্জুনপুর বরমহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুস সাত্তার এবং বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার মাঝিহট্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মির্জা গোলাম হাফিজ সোহাগ।

বরখাস্তকৃত ইউপি সদস্যরা হলেন— নাটোর জেলার লালপুর উপজেলার অর্জুনপুর-বড়মহাটি ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের সদস্য রেজা, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার কেদারপুর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের সদস্য জাকির হোসেন এবং ৮ নং ওয়ার্ডের সদস্য রোকনুজ্জামান, ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের সদস্য আবদুর রব পাটোয়ারী, নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের সদস্য শেখ মোশারেফ হোসেন এবং ৩ নং সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য রনি বেগম, সিরাজগঞ্জ জেলার চৌহালী উপজেলার খাসকাউলিয়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের সদস্য রফিকুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের সদস্য আল আমিন চৌধুরী এবং ৭,৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত সদস্য আছিয়া খাতুন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকার কর্তৃক প্রদত্ত খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির এবং ভিজিডির চাল আত্মসাৎ, খাদ্য সহায়তা চাইতে আসা লোকজনকে মারধর, সরকারি নির্দেশ অমান্য করে দেশের সঙ্কটময় মুহূর্তে এলাকায় অনুপস্থিত থাকা, উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় অনুপস্থিত ইত্যাদি কারণে তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

অপসারণ নোটিশ দেয়ার ১০ দিনের মধ্যে জেলা প্রশাসকের নিকট জবাব দিতে বলা হয়েছে।