Image source: @englandcricket/twitter

ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড ম্যাচ মানেই যেন সুপার ওভার রোমাঞ্চ! যার প্রমাণ মিললো আবার। বিশ্বকাপ ফাইনালে শেষ অঙ্কে ছিল শ্বারূদ্ধকর নাটকীয়তা! সেই দৃশ্যই যেন পুনরায় মঞ্চস্থ হলো অকল্যান্ডে সিরিজের পঞ্চম টি-টোয়েন্টিতে।

বিশ্বকাপে বাউন্ডারি কাউন্টে ইংল্যান্ডকে বিজয়ী ঘোষণা করা হলেও এবার অবশ্য শ্রেষ্ঠত্ব ছিল ইংলিশদেরই। সুপার ওভারে জিতে সিরিজ ৩-২ ব্যবধানে নিশ্চিত করেছে এউইন মরগানের দল।

বৃষ্টির কারণে নির্ধারিত ম্যাচটি ছিল ১১ ওভারের। মার্টিন গাপটিলের ২০ বলের ঝড়ো হাফসেঞ্চুরি ও কলিন মুনরোর ২১ বলে করা ৪৬ রানে ৫ উইকেটে ১৪৬ রান করে নিউজিল্যান্ড।

সমান তালে জবাব দিতে থাকা ইংল্যান্ড বেয়ারস্টোর ১৮ বলে করা ঝড়ো ৪৭ রানের ইনিংসে ৭ উইকেট হারিয়ে পায় কিউইদের সমান স্কোর। টাই হওয়াতে ম্যাচের ভাগ্য গড়ায় সুপার ওভারে।

সুপার ওভারে কিউই অধিনায়ক টিম সাউদির ওভারে মর্গ্যান মারেন এক ছক্কা, বেয়ারস্টো একটি। আসে ১৭ রান। নিউ জিল্যান্ডের হয়ে নেমেছিলেন গাপটিল ও সাইফার্ট। প্রথম দুই বলে এসেছিল ৭ রান। কিন্তু এরপর সাইফার্টকে ফিরিয়ে দেন জর্ডান। কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম নেমে করতে পারেননি কিছু।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

নিউ জিল্যান্ড: ১১ ওভারে ১৪৬/৫ (গাপটিল ৫০, মানরো ৪৬, ডি গ্র্যান্ডেহোম ৬, সাইফার্ট ৩৯, নিশাম ১*, টেইলর ৩; স্যাম কারান ২-০-৩৩-১, টম কারান ২-০-৩০-১, জর্ডান ২-০-২৮-০, রশিদ ৩-০-৩৪-১, সাকিব ২-০-২০-১)।

ইংল্যান্ড: ১১ ওভারে ১৪৬/৭ ( ব্যান্টন ৭, বেয়ারস্টো ৪৭, ভিন্স ১, মর্গ্যান ১৭, স্যাম কারান ২৪, বিলিংস ১১*, গ্রেগোরি ৬, টম কারান ১২, জর্ডান ১২*; বোল্ট ৩-০-৩৫-২, সাউদি ২-০-২২-১, স্যান্টনার ২-০-২০-২, কুগেলাইন ১-০-২০-০, সোধি ১-০-২২-০, নিশাম ২-০-২৫-২)।

ফল: ম্যাচ টাই, সুপার ওভারে ইংল্যান্ড জয়ী

সিরিজ: ৫ ম্যাচের সিরিজে ইংল্যান্ড ৩-২ ব্যবধানে জয়ী

ম্যান অব দা ম্যাচ: জনি বেয়ারস্টো

ম্যান অব দা সিরিজ: মিচেল স্যান্টনার